
সংবাদমাধ্যমে সূত্র উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি নামের রাজনৈতিক দলের এক কর্মসূচিকে ঘিরে ১৬ জুলাই, ২০২৫ গোপালগঞ্জে তাদের ওপর হামলা এবং দিনভর সহিংসতা চলেছে। এই সহিংসতায় ইতিমধ্যে পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন দীপ্ত সাহা (২৫), রমজান কাজী (১৮), সোহেল মোল্লা (৪১), ইমন তালুকদার (২৪) ও রমজান মুন্সী (৩২)। আরও অনেকে গুলিবিদ্ধসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে খবরে প্রকাশ পায়। এতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
বিবৃতিতে তাঁরা জানায়, ‘এ ঘটনার ব্যাপারে আমরা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাই। এই ব্যাপারে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জরুরি সেবা এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও জানাচ্ছি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যত দূর জানা যায়, ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে এক দিন আগে থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ প্রচারণা, বিদ্বেষ এবং উত্তেজনামূলক বক্তব্য চালানো হয়েছিল। জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পূর্ব থেকেই বিষয়টি অবহিত ছিলেন বলে সংগত কারণেই আমরা ধরে নিতে পারি। পতিত স্বৈরশাসকদের সহিংস দোসরদের যে ইন্ধন থাকতে পারে তা-ও তাদের স্পষ্টই জানা থাকার কথা। কিন্তু কেন এ বিষয়ে তখন থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না, তা তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করতে হবে।’