আয়েশা সিদ্দিকা এক মধ্যবিত্ত শিক্ষিত পরিবারের মেয়ে।ফরিপুর জেলার রাজবাড়িতে তার জন্ম।প্রায় কয়েক বছর পূর্বে তার মা বাবা না ফেরার দেশে চলে গেছে।মা বাবা মারা যাওয়ার পর চাচার কাছে থেকে জীবন যুদ্ধের মাঠে এক আপোষহীন নারী হিসেবে নিজেকে তৈরি করেন।শিক্ষা জীবন ছিলো অত্যান্ত মেধাবিত্তিক।তার স্বপ্ন ছিলো ব্যারিষ্টার হওয়া।বাবা মা মারা যাওয়ায় সেই স্বপ্ন ব্যার্থতায় পরিনত হয়।পরবর্তীতে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে অনার্সে গ্রামের কলেজেই ভর্তি হয়।তার স্বপ্ন ছিলো রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স শেষ শেষ করে শিক্ষকতা করবে।তার স্বপ্ন এবং পরিশ্রম ছিলো সাহসের প্রতীক।সে ছিলো সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মনা।বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবীর সাথে সোস্যাল মিডিয়ায় তার পরিচয় হয়।এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবী তথ্য নিয়ে জানতে পারে মেয়েটি ধার্মিক এবং চৌকস।সবকিছু জানার পরে এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবী আয়েশা সিদ্দিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সে তার ব্যাক্তি জীবনে একজন আদর্শ মানব হিসেবে এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবীর মতো কাওকে খুঁজেছিলেন বলে জানায়।পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে ডিসেম্বরের ২০ তারিখ তার বিয়ে ঠিক হয়।গত একমাস পূর্বে তার চাচা মারা যায়।তখন তার অনার্স ফাস্ট ইয়ার পরীক্ষা চলমান। শেষ পরীক্ষা ছিলো ডিসেম্বরের ২০ তারিখ ছিলো তার শেষ পরীক্ষা। দুঃখজনক হলেও সত্য, চাচা মারা যাওয়ার ১৫ দিন পর সে অসুস্থ হয়ে পরে।পরবর্তীতে জানতে পারলাম তার ব্রেন টিউমার হয়েছে।এদিকে এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবী তার যোগ্যতা এবং মেধাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জনতার বিপ্লব ২৪ পত্রিকায় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।সে খুব খুশি হয়েছিলো।তার অসুস্থতার কথা জানার পর জাকির হোসাইন বিপ্লবী তাকে ভালো চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন।এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।সে জাকির হোসাইনের পরামর্শে নিজেকে স্বাভাবিক রাখেন।কিন্তু ডাঃ বলেছিলো সে একমাস বাঁচবে।তবুও তার ছিলো বাঁচার ইচ্ছা। তার স্বপ্ন ছিলো সে জাকির হোসাইনের জীবনে এসে নতুন একটি পৃথিবী গড়বে।এক বিপ্লবের অতন্দ্র প্রহরী রুপে দেশ এবং জাতির সেবায় নিজে গড়ে তুলবে।কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরন হলো না।নির্ধারিত বিয়ের তারিখে সে অজ্ঞান হয়ে পরে।তার আত্নীয়রা তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।ডাক্তার তার জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে আইসিউতে রাখে।২০ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ বেলা ৩ টা পর্যন্ত সে আইসিইউতে ভর্তি ছিলো।২৮ তারিখ তাকে ঢাকা নিয়ে আসার কথা।কিন্তু সে ২৭ তারিখ রাত ৩ টা বাজে মৃত্যুবরন করেন।তার মৃত্যুর খবর শুনে এম. কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবী স্তব্ধ হয়ে পরে।এবং তার জান্নাত কামনা করে।আমরা জনতার বিপ্লব ২৪ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। নারী জীবনের এক গর্ভ আয়েশা সিদ্দিকা।জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জীবন যুদ্ধের মাঠে আপোষহীন লড়াই করেছেন।