ওপিওয়েড একটি ভয়ংকর শ্রেণীর মাদকদ্রব্য, যা পরিমিত মাত্রায় ব্যাথানাশক হিসেবে প্রেসক্রাইব করা হয়।
১৯৯০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েছে ওপিওয়েডের অপব্যবহার। এই ওষুধের নে*শা থেকে বের হতে পারছেন না অসংখ্য নারী-পুরুষ। ফলে অবৈধ ওপিওয়েডের (হেরোইন) দিকেও ঝুঁকছেন অনেকে। যেসব নারী ওপিওয়েডে আসক্ত, তাদের জন্ম দেওয়া সন্তানেরও ওপিওয়েড প্রয়োজন হয়, নয়ত তীব্র (NAS) অসুখে ভোগে এরা।
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের ওপিওয়েড শনাক্ত এবং চিকিৎসায় বিশেষ দুটো পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশি গবেষক রামিসা ফারিহা। এক ফোটা রক্ত, এমনকি শুকিয়ে যাওয়া রক্ত থেকেও ৬টি ওপিওয়ড যৌগ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয়। খুবই অল্প সময়ে সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য দিচ্ছে ড. রামিসার এই পদ্ধতি। সবচেয়ে বড় ব্যপার, এক্ষেত্রে কোনো জটিল সরঞ্জামও লাগছে না। ফলে সব শ্রেনীর সমাজেই ব্যবহার করা যাবে এই পদ্ধতি।
তিনি ব্রাউন ইউনিভার্সিটির মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে পোস্টডক্টরাল রিসার্চ এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছেন। পিএইচডি করার সময়ই এই সমস্যাটির সমাধান করেছিলেন তিনি। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।