1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
তেতুলিয়ায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় কারনে চাকরি হলো না গ্রামপুলিশ সদস্যদের - dailyainerkantho
৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| দুপুর ২:৪৬|

তেতুলিয়ায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় কারনে চাকরি হলো না গ্রামপুলিশ সদস্যদের

খাদেমুল ইসলাম
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬,
  • 169 Time View

 

তেতুলিয়ায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় কারনে চাকরি হলো না গ্রামপুলিশ সদস্যদের

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম!

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গ্রামপুলিশ নিয়োগের অংশ নেওয়া ৩৮ প্রার্থী কেউই জাতীয় সঙ্গীত লিখতে না পারায় ।
চাকরি হলো না গ্রামপুলিশ নিয়োগের
এমনকি লিখিত পরীক্ষায় সব প্রার্থীই অনুত্তীর্ণ হয়েছেন।

তেঁতুলিয়া উপজেলার মোট চারটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বুধবার সকাল ১০টায় তেতুলিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই বাছাই পরীক্ষা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রামপুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ৩৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সব প্রার্থীকে জাতীয় সঙ্গীত লিখতে দেওয়া হয়। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি৷ ফলে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীকে অনুত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। আর এমন পরিস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে না পারায় পদগুলোতে কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে পারেনি বাছাই কমিটি৷

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীতটি সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক।’

​জাতীয় সংগীতের মতো মৌলিক বিষয়ে প্রার্থীদের এমন অজ্ঞতা উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদেরও হতবাক করেছে।

এদিকে গ্রামপুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় কেউই পাশ করেনি- এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় পুরো এলাকায় সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকে বলছেন, লিখিত পরীক্ষায় সব প্রার্থীর ফেল করার ঘটনা এটিই প্রথম। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গ্রামপুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ন্যূনতম শিক্ষাগতযোগ্যতা ও সাধারণ জ্ঞানের মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এছাড়া প্রার্থীরা অনুত্তীর্ণ হওয়ায় পরে আবার নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com