1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
ঢাবিতে কওমি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি: রাজনৈতিক অপপ্রচারের শিকার দুই তরুণ - dailyainerkantho
৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| মঙ্গলবার| রাত ২:৪৩|
শিরোনামঃ
সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে!! রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ খেলোয়াড় বাছাই সম্পন্ন, তারুণ্যের জয়জয়কার। মনোহরগঞ্জে ৩০০শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক মো. আলিফ রানা পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব সম্মাননা প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও দক্ষতা কাজে লাগাতে ২৮-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ মনোহরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চলতি মাসেই করতোয়া নদীর খননকাজ শুরু হচ্ছে: বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী! বিএনপি জন্মগতভাবেই জাতির সাথে প্রতারণা করে আসছে: শিবির সভাপতি বগুড়ার মোট জিপিএ-৫-এর ৫৭ শতাংশই সরকারি আজিজুল হক কলেজের দখলে

ঢাবিতে কওমি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি: রাজনৈতিক অপপ্রচারের শিকার দুই তরুণ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬,
  • 99 Time View

 

ঢাবিতে কওমি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি: রাজনৈতিক অপপ্রচারের শিকার দুই তরুণ

​বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে কওমি মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে। রাজনৈতিক দলীয় কোন্দল এবং সাইবার ট্রায়ালের বলি বানিয়ে দুই তরুণের চরিত্রহননের এই ঘটনাকে রাজনীতির চরম দেউলিয়াত্ব বলে মন্তব্য করছেন সচেতন মহল।
​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নোয়াখালীর জামেয়া মাদানিয়া মাইজদী মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী সম্প্রতি এই অন্যায়ের শিকার হন। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় হলের একটি কক্ষে গলায় ছুরি ধরে ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অসত্য স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের একটি অংশ ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

​অন্যদিকে, ঘটনা প্রকাশের পর রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ দৃশ্যমান হয়। প্রথমে শিক্ষার্থীদের ‘শিবির’ আখ্যা দেওয়া হয়, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটি দায় এড়াতে তাদের ওপর দায় চাপায়। উভয় পক্ষের এই পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ির মাঝে মূল ভিকটিম হন সাধারণ ওই দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনলাইন ট্রায়াল চালানো হয়, যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

​বিশ্লেষকদের মতে, কাউকে জিম্মি করে অসত্য ভিডিও তৈরি ও তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে সমাজ এবং একটি নির্দিষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর সংস্কৃতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এভাবে নিরপরাধ মানুষের সম্মানহানি কোনো সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ হতে পারে না।

​ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে এবং অনলাইন মব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com