1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
ন্যায্য মজুরি কোনো দাবীর বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ- ড. মাহদী আমিন - dailyainerkantho
১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| বিকাল ৩:০৬|
শিরোনামঃ
বিএনপি জন্মগতভাবেই জাতির সাথে প্রতারণা করে আসছে: শিবির সভাপতি বগুড়ার মোট জিপিএ-৫-এর ৫৭ শতাংশই সরকারি আজিজুল হক কলেজের দখলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি শিক্ষক, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক আশরাফুল আহমদ পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব পুরস্কার শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামায় সুঁই-সুতো হাতে প্রধান শিক্ষিকা বগুড়ার পাঁচ কলেজে সবাই ফেল করেছে  মনোহরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দুপচাঁচিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী আন্তর্জাতিক ৩ আয়োজনে বাংলাদেশের মানবিক সহায়তা ও জলবায়ু সহনশীলতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান

ন্যায্য মজুরি কোনো দাবীর বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ- ড. মাহদী আমিন

মো সাইফুল আলম সরকার
  • Update Time : শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬,
  • 72 Time View

 

ন্যায্য মজুরি কোনো দাবীর বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ- ড. মাহদী আমিন

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: শ্রমজগতে মর্যাদা, অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রশ্নে প্রয়োজন শ্রমিকের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির বিষয়টি বিবেচনা ও নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে ন্যায্য মজুরি কোনো দাবি নয়, বরং নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় কল্যাণের অংশ। দেশের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এখনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত বিধায় তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। এসকল প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ট্রেড ইউনিয়নে নারী নেতৃত্ব ও তরুণ শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা, শ্রমিকের নিজস্ব ভাষায় দরকষাকষি ও সংলাপে অংশগ্রহণের গুরুত্ব, কার্যকর সামাজিক সংলাপ, মালিক-শ্রমিক ঐক্য ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রমবাজার গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।

আজ শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিল্স এর আয়োজনে ১০ম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান “মর্যাদা, অধিকার, ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়” স্লোগানে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ-এ বিলস-এর সদস্যবৃন্দ, দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠন, সরকার, নিয়োগকর্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, আইএলও বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর জান্না ভ্যান ডার লিন্ডেন, জাপান ইন্টারন্যাশনাল লেবার ফাউন্ডেশন (জিলাফ)-এর প্রেসিডেন্ট ইয়াসুনোবু আইহারা।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)-এর অতিরিক্ত মহাসচিব মোঃ সাইদুল ইসলাম, এফইএস বাংলাদেশ-এর রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ফেলিক্স গার্ডেস, ড্যানিশ ট্রেড ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ডিটিডিএ)-এর এশিয়া অফিসের হেড লটে এলিগার্ড, মন্ডিয়াল এফএনভির পলিসি অ্যাডভাইজার রুবেন কোরেভার, ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়ন- সাউথ এশিয়া-এর রিজিওনাল সেক্রেটারি আশুতোষ ভট্টাযার্য, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক এ এ এম ফয়েজ হোসেন এবং বিল্স উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফরিদা আক্তার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিল্‌স-এর চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঞাঁ। স্বাগত ও সূচনা বক্তব্য রাখেন বিল্‌স মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন বিস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফরিদা আক্তার ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ৬১১ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ। উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন “বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খান তথ্যকেন্দ্র ও বিস লাইব্রেরী” উদ্বোধন করেন।

অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন কর্মজগতের নিরাপত্তা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ-এর ওপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি বলেন, এখনো দেশের বহু শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সাথে জড়িত। শ্রমজগতের উন্নতি সাধনের জন্য দরকার প্রত্যেক শ্রমিকের যথাযথ মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। নিরাপত্তা ও শ্রম মজুরির বিষয়ে উপস্থিত সকল বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, ন্যায্য মজুরি কোনো দাবীর বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ। তিনি আশ্বাস দেন যে, সাড়ে সাত কোটি শ্রমজীবি মানুষের নির্বাচিত সরকার তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত। তিনি এক্ষেত্রে কর্মজগতে নিরাপদ পরিবেশ, শোভন কাজ, প্ৰাপ্য মজুরি, প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষ্যতা বৃদ্ধি, শিল্পের মাঝে স্থিতিশীলতা, আস্থা, দায়ীত্বশীলতা, মালিক-শ্রমিক এর ঐক্যে এবং ৩অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।
অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় শ্রমিক শ্রেণির অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সকল সেক্টরের শ্রমিকের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রয়েছে।

রুবেন কোরেভার বাংলাদেশের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে নারী নেতৃত্বের ওপর গুরুত্বরোপ করেন। লটে এলিগার্ড ত্রিপক্ষীয় আলোচনা ও সামাজিক সংলাপের ওপর গুরুত্বরোপ করে বলেন, কার্যকর সামাজিক সংলাপের জন্য জরুরি সবগুলো পক্ষের মাঝে সমন্বয় ও ঐক্য নিশ্চিত করা। জান্না ভ্যান ডার লিন্ডেন বলেন, শ্রমিক শ্রেণি যখন নিজের ভাষায় দরকষাকষি, আলোচনা ও সংলাপে অংশগ্রহণ করবে, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com