
আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও সন্ত্রাসী কায়দায় অবৈধ ভাবে জোরপূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করছেন আরিফুল হক
মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানার এবং বানেশ্বর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের জামাতের আমির মোঃ আরিফুল হকগণ কর্তৃক জাল দলিল তৈরি করে সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে অবৈধভাবে জোরপূর্বক জমি দখল অস্ত্রশস্ত্র সহ সন্ত্রাসী লোকজন পাহারায় ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মূল মালিক মোঃ ইয়াকুব আলীর ছেলে মোঃ মুসা মিয়া।
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৩য় তলায় মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খা হলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ মুসা মিয়া।
লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, আমার ভোগদখলীয় পুঠিয়ার থানার বিহারী পাড়া মৌজার জমি এস এ ৩১৩ খতিয়ান মালিক ১। মোঃ ইয়াকুব আলী, ২। মোঃ ইয়ানুছ আলী, ৩। এহিয়া যথাক্রমে এস এ দাগ ১০১, ১০৫, ১১৩ জমির পরিমান ১১.১৬.২৪ তিন জনে সমান সমান অংশ। রেকর্ড রুমের প্রতিবেদন এস এস রিপোর্ট সঠিক রয়েছে। স্মারক নং ৩৪০ তারিখ 30/06/2016 ।
এস এ খতিয়ান ৩১৩ মূলে মোঃ ইয়ানুছ আলী ১০৫ দাগের ১৬ শতক জমি রাজশাহী সুগার মিলের নিকট ২৮/০৬/১৯৬৫ সালে ১২১৮১/৬৫ দলিল মূলে বিক্রয় করে দখল শূন্য হন। সদর সাব-রেজিঃ অফিসার মোঃ মনিরুল ইসলামের প্রতিবেদনের স্মারক নং ৩৮৫ তারিখ ২২/06/2016 ইং নং পত্ৰ ।
এস এ খতিয়ানের ৩১৩ মূলে মোঃ ইয়াকুব আলী তার জীবদ্দশায় তার ছেলে মোঃ মুসা মিয়াকে ২০০৫ সালে ১৪১৮/০৫ দলিল মূলে এস এ খতিয়ানের ১০১, ১১৩ সালের ১৭ শতক তার অংশ ৩১/০৩/২০০৫ইং তারিখে রেজিঃ করিয়া দেন। সাব-রেজিঃ পুঠিয়ার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিবেদনের স্মারক নং ৫৬, তারিখ: ১৩/০৫/২০২৬ইং নং পত্র ।
মোঃ ইয়ানুছ আলী কর্তৃক উক্ত জমির জাল দলিল তৈরি করে যার দলিল নম্বর ৩২৯৮/৮০ তারিখ ০১/০৩/৮০ এস এ খতিয়ান ৩১৩ আর এস খতিয়ান ১১৯ এস এ দনং ১৩৫ জমির পরিমাণ ২৮ শতক দাতা হাজী ইসমাইল ও গ্রহীতা মোঃ ইয়ানুছ আলী। হাজী ইসমাইলের এই জমিতে মালিকানাস্বত্ব নাই। প্রতিবেদনে সদর সাব-রেজিঃ মোঃ মনিরুল ইসলামের প্রতিবেদনের স্মারক নং ৪১৩ তারিখ ০৬/০৭/২০২৬ নং পত্র এবং বিভাগীয় কমিশনার রাজশাহী কর্তৃক রায়প্রাপ্ত । পরবর্তীতে ইয়ানুছের ওয়ারিশ জামাতের আমির মোঃ আরিফুল হকগন নিজেরা ভূয়া দলিল তৈরি করে জালিয়াতি করে অত্যন্ত গোপনীয় ভাবে ৪৬৫১/১৯৯৭ ইং দলিল মূলে জমি খারিজ করে। বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক রাজশাহীর আদালত কর্তৃক রিভিউ মামলা নং ৬/১৬ রায় বলবদ থাকায় ইয়ানুছের দলিল অচল হওয়ায় ইয়াকুবে হোল্ডিএ জমি ফেরতের নির্দেশ দেয়। খাজনার দাখিলা ৩০ সাল পর্যন্ত পরিশোধ আছে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪১১/২৬ মামলায় জবাবে ৪৬৫১/৯৭ নং দলিলের অংশ দাবি করেন যা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পুঠিয়া জামাতের আমির আরিফুলের খালা আছিয়া দিং ২২৪২/২০২৫ তারিখ ০৫/১১/২০১৪ ইং মিস কেসের রায়ে তার দলিলের মালিকানার স্বত্ত্ব না থাকায় খারিজ বাতিল করেন। সহকারী কমিশনার পুঠিয়া মরিয়ম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজশাহী আদালতে ০২ /xiii /২০২৫-২৬ মামলার রায়ে আপিল না মঞ্জুর করেন। তাদের আর কোন জমি না থাকার স্বতেও সন্ত্রাসী লোকজন অস্ত্রশস্ত্রসহ পাহারা দিয়ে অবৈধ ভাবে জোরপূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করিতেছে। এই ব্যাপারে আইনানুগ শান্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহনের সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো ।