1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
নিঃসঙ্গ স্বজনহীন এক লাশের কফিনের ওপর চোখ আটকে যায়: শায়খ আহমাদুল্লাহ - dailyainerkantho
৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| বুধবার| রাত ১১:১১|
শিরোনামঃ
ইবির ২৬৮ ডে লেবার ও থোক কর্মচারী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত তেঁতুলিয়ায় জমি অবৈধ জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শপথ নিলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি মির্জা ফয়সল আমীন পঞ্চগড়ে দেবীগঞ্জ মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত সেভ দ্য গ্রিন ফাউন্ডেশনের বালাগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়ক মো. মইনুল ইসলাম ট্রাকের সঙ্গে ভ্যানের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু জামালগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি-এর কার্যক্রম পর্যালোচনা ও স্থায়িত্ব বিষয়ক সমন্বয় সভা মনোহরগঞ্জে অটোরিকশায় ছাগল চুরি, স্থানীয়দের সহায়তায় আটক ৩ এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সুনামগঞ্জ জেলা বিএনিপর চীনা ভাষা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিশেষ অবদান: ‘ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন রিচার্ড ইন্টারন্যাশনাল-এর এমডি মনিরুজ্জামান

নিঃসঙ্গ স্বজনহীন এক লাশের কফিনের ওপর চোখ আটকে যায়: শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, আগস্ট ১৩, ২০২৫,
  • 161 Time View

 

নিঃসঙ্গ স্বজনহীন এক লাশের কফিনের ওপর চোখ আটকে যায়: শায়খ আহমাদুল্লাহ

 

জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, উগান্ডা যাওয়ার পথে কেনিয়ার নাইরোবি বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতির সময় তার চোখ আটকে যায় এক নিঃসঙ্গ কফিনে।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘উগান্ডা যাওয়ার পথে কেনিয়ার নাইরোবি বিমানবন্দরে আমাদের যাত্রাবিরতি হয়েছিল। সেখানেই স্বজনহীন নিঃসঙ্গ এক লাশের কফিনের ওপর চোখ আটকে যায় আমাদের। লাশ, যখন তার আয়ু ছিল, অন্য কোনো দেশ থেকে কাজের সূত্রে হয়তো কেনিয়া এসেছিল। আর এই কেনিয়াতেই লেখা ছিল তার মৃত্যু।’

লাশের কফিনটি একাকী বাড়ি ফিরছে, পাশে নেই কোনো কাছের মানুষ। এমনকি বিমান-যাত্রীদের মালামালের স্থানে ঠাঁই হয়েছে কফিনটির। যেন নিষ্প্রাণ মালামাল ছাড়া সে এখন অন্য কিছু নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘নিশ্চয়ই এই মানুষটির বুকভরা অনেক স্বপ্ন ছিল। আমরাও তার মতো অনেক স্বপ্ন বুকে নিয়ে পৃথিবী দাবড়ে বেড়াই। স্বপ্ন পূরণের পথে কখনো কখনো হালাল-হারামের তোয়াক্কা করি না। কিন্তু আমাদের শেষ পরিণতিও কফিনের ওই মানুষটির চেয়ে আলাদা নয়।’

নিঃসঙ্গ কফিনটি পৃথিবীর ক্ষণস্থায়িত্ব আর অনিশ্চয়তার কথাই মনে করিয়ে দেয় বারবার। মনে করিয়ে দেয় সেই হাদিসটির কথা, যে হাদিসে নবীজি (সা.) পৃথিবীতে মুসাফিরের মতো বসবাস করার নসিহত করছেন।

সত্যিই, পৃথিবী এক ক্ষণস্থায়ী সরাইখানা ছাড়া কিছু নয়, আর আমরা সবাই মুসাফির। মুসাফিরের পথচলা একদিন শেষ হবে আর তাকে পৌঁছাতে হবে আপন ঠিকানায়। তবু ক্ষণস্থায়ী এই পথের মোহে আমরা ভুলে যাই প্রকৃত ঠিকানার কথা। যে ঠিকানায় অপেক্ষা করছে চির সুখের জান্নাত।

উল্লেখ্য, উগান্ডার বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইসলামিক কনফারেন্সে অংশ নিয়েছিলাম সম্প্রতি। সেই সফরেই তোলা এই ছবিটি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com