1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পঞ্চগড়ের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি - dailyainerkantho
১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| সকাল ৯:৩৯|
শিরোনামঃ
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি শিক্ষক, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক আশরাফুল আহমদ পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব পুরস্কার শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামায় সুঁই-সুতো হাতে প্রধান শিক্ষিকা বগুড়ার পাঁচ কলেজে সবাই ফেল করেছে  মনোহরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দুপচাঁচিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী আন্তর্জাতিক ৩ আয়োজনে বাংলাদেশের মানবিক সহায়তা ও জলবায়ু সহনশীলতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান ভোটের লড়াই শেষে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ফুল নিয়ে ফয়সল বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ দুই আসামি গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়ের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৫,
  • 184 Time View

পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে।
শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনোটিই এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ জন, আর আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত ছিল।মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ‘আমাদের কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত হয়নি। কয়েক বছর ধরে নেই কোনো শিক্ষক। এজন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করতে পারেনি।’

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী বলেন, ‘ভর্তি হওয়ার পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, এ জন্য কেউ পাস করতে পারেনি।’

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, ‘আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনে পাস করার কথা ছিল। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করব।’এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি, তাদের শোকজ করা হবে। কেন এমন ফল হলো, তা খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে কিভাবে উন্নতি আনা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com