সম্পর্ক মানে শুধু ভালোবাসা বা দায়িত্ব নয়—এটি একটি পারস্পরিক বিনিয়োগের বিষয়। দুইজন মানুষ ভিন্ন দুটি পরিবেশ থেকে এসে একসঙ্গে জীবন শুরু করেন। এই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহানুভূতি এবং নিরবিচার যোগাযোগ। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনেক স্বামী স্ত্রীর কাছ থেকে ক্রমাগত মানসিক অত্যাচার, অসম্মান এমনকি শারীরিক নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন। এই অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে তারা ডিপ্রেশন, এংজাইটি এমনকি আত্মবিশ্বাস হারানোর মতো ভয়াবহ সমস্যায় ভোগেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক স্বামী এখন মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন যে, তারা দাম্পত্য জীবন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন। অনেকে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন, কেউবা স্ত্রীর ভয়ে আলাদা রুমে ঘুমাচ্ছেন। সবশেষে এ সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে চলে যায়, যেখানে একসঙ্গে থাকলেও তারা আলাদা জীবন যাপন করছেন—যার চূড়ান্ত মূল্য দিতে হয় সন্তানদেরকেও।
এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে, সম্পর্কের মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধ (Gratitude) থাকা অত্যন্ত জরুরি। একজন স্বামী হোক কিংবা স্ত্রী, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য প্রশংসা, সম্মান, বিশ্বাস ও ভালোবাসা জরুরি। সম্পর্ক একবার শুরু করলেই সেটি আপনাআপনি চলবে না—নিয়মিতভাবে সেটি ‘রিনিউ’ করতে হয়, যেমন গাড়ির লাইসেন্স।