শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন পূজা উদযাপন ফ্রন্ট।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় এই উৎসব শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। তাই পূজা যেন নির্বিঘ্নে, আনন্দমুখর পরিবেশে পালিত হয় সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, পূজা উদযাপন কমিটি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হবে। সিসিটিভি স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং জরুরি সেবার যোগাযোগ নম্বর সহজলভ্য রাখার বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাই।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের ঐতিহ্য হলো সম্প্রীতির বাংলাদেশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে এই উৎসব উদযাপন করব। যুব সমাজ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে পূজার আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলতে মানবিক ও সামাজিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
পরিশেষে আদমদিঘী উপজেলা বাসীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন সংগঠনের
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট বগুড়া জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক এবং আদমদীঘি উপজেলা শাখার আহবায়ক সৌরভ কুমার কর্মকার ও পূজা উদযাপন ফন্ট আদমদীঘি উপজেলা শাখার সদস্য সচিব অভিলাশ কুমার বর্মন বলেন এবছর আদমদীঘি উপজেলায় ৬৯টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে এরই মধ্যে প্রায় পূজা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ সম্পন্ন হয়েছে, রং তুলির কাজ চলছে কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হবে তিনি আশাবাদী অন্যান্য বছরের মতো এবারও সার্বিক নিরাপত্তার কোন ঘাটতি থাকবে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
পূজা উদযাপন ফন্ট আদমদীঘি উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মৃণাল সরকার একই মতামত ব্যক্ত করেন এবং বিগত আওয়ামী সরকারের দোসর এবং নাশকতা মামলার আসামিরা পূজাকে কেন্দ্র করে যেন কোন ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।