মীরসরাইয়ের ঝর্ণাগুলো সহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভারী বর্ষণ ও ফ্লাশফ্লাডের সময় খুবই ভয়ংকর হয়ে উঠে।

যার ফলে অনভিজ্ঞ অনেক পর্যটককে মূল্যবান জীবন দিতে হয়। আজ একদিনে দুজন তরুণের প্রাণ গেলো মেলখুম গিরিপথে। যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। খৈয়াছড়া ঝর্ণা, রুপসী ঝর্ণায়ও বহু মানুষের প্রাণ গেছে ইতিমধ্যে। পর্যটন কেন্দ্রগুলো ইজারাদাররা টিকেট কাটা ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি, এমনকি সরকারও নির্বিকার।

মীরসরাইয়ের পর্যটন কেন্দ্র গুলোকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গাইড ব্যবস্থা করা, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য টিম প্রস্তুত রাখা, মহাসড়ক থেকে কেন্দ্রগুলো সংযোগ সহজীকরণ সহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এসকল বিষয় নিশ্চিত করা গেলে, দেশের মতো বিদেশ থেকেও প্রচুর পর্যটক ভ্রমণে আসবেন নিয়মিত।
মীরসরাইকে বাঁচাতে হলে ফেনী নদীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ভূগর্ভস্থ পানির সক্রিয় তিনটি ভেসিন ফেনী নদী থেকে প্রবাহিত। আন্তর্জাতিক নদীটির পানি প্রবাহ সক্রিয় রাখা ও পাড়গুলো দখল মুক্ত করতে না পারলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে, তা গত বন্যায় দৃশ্যমান হয়েছে। নদীটি দুই কুলের জীবন, জীবিকা ও বাস্তুসংস্থান স্বাভাবিক রেখেছে।
আসুন ফেনী নদী রক্ষা করি।