দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
*👉 অভিযান ০১:*
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মিরপুরে আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে নানাবিধ দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে টিম জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (ভূমি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা) -এর নিকট হতে বর্ণিত প্রকল্প সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, মিরপুর-৩ এলাকায় গৃহীত প্রকল্পে ২০২৩ সালের একটি পুরাতন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছিল, যা প্রশ্নবিদ্ধ। উক্ত বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রতিবেদন দাখিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে টিম তথ্য পায়। এছাড়াও, অভিযানকালে প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণপূর্বক টিম কর্তৃক কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
*👉 অভিযান ০২:*
মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলাধীন “ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়” -এর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, শশিকর, ডাসার -এর অধ্যক্ষ এবং প্রভাষকের বিরুদ্ধে ভারতে অবস্থান করে বেতন উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। সংগৃহীত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
*👉 অভিযান ০৩:*
গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার ১০০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে হয়রানিসহ নানাবিধ অনিয়মের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, গোপালগঞ্জ হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনকালে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন ও জেনারেটর বাক্সবন্দি থাকা, ঠিকাদার কর্তৃক রোগীদের জন্য বরাদ্দের তুলনায় কম পরিমাণে খাদ্য সরবরাহ, ওষুধ বিতরণ সংক্রান্ত রেজিস্টার ও স্লিপে গরমিল, একমাত্র ল্যাব টেকনিশিয়ান পিআরএলে থাকায় প্যাথলজি বিভাগ বন্ধ থাকা, চিকিৎসকের ঘাটতিতে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং অপারেটর না থাকায় হাসপাতালের লিফট বন্ধ থাকার মতো একাধিক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ধরা পড়ে। তৎপ্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়। রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ শেষে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।