এতে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় বাদ জুমা তুহিনের প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়িতে মরদেহ নিয়ে আসা হয়।
নিহত তুহিনের বড় ভাই মো. সেলিম মিয়া ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদার কবরের পাশে তুহিনকে দাফন করা হয়েছে।
ভাই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে সেলিম মিয়া বলেন, আমার ভাইকে বিনা দোষে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, এভাবে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
স্থানীয় নাছির উদ্দিন বলেন, তুহিন খুব ভালো ছেলে ছিল। সত্যিই ভালো মানুষ বেশি দিন বাঁচে না। এটাই প্রমাণ হলো। অল্প সময়ে স্বামী হারিয়ে স্ত্রী মুক্তা আক্তার দুই সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই সরকার বা রাষ্ট্র তুহিনের পরিবারের পাশে এগিয়ে আসুক।