ভোলার চরফ্যাসনের দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চর মানিকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিম খন্দকারকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।
এসময় তার সঙ্গে থাকা চর মানিকা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের মাস্টারও গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠান।
রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার পথে দক্ষিণ আইচা বাজারে প্রকাশ্য কুপিয়ে জখম করা হয়।
এদিকে রেজাউল করিম খন্দকারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে চরম উত্তেজনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় উপজেলাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ওই সন্ত্রাসী চক্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জানান, রেজাউল করিম খন্দকার দক্ষিণ আইচা বাজারের বাসস্ট্যান্ডে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত শেষে চর মানিকা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবু তাহেরকে সঙ্গে নিয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে মোটর সাইকেলে বাজারের মসজিদের দিকে রওয়ানা করেন। এসময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা আবুল হোসেন নামে এক সন্ত্রাসী তাকে পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে এবং পিঠে আঘাত করেন। তার সঙ্গে থাকা চর মানিকা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের তাকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
এসময় তাদের চিৎকারে তিনিসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এগিয়ে তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে পাঠান।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, রেজাউল করিম খন্দকার দক্ষিণ আইচা থানার চর মানিকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়াম্যান ছিলেন এবং তিনি দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযুক্ত চক্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভূঁইয়া জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম আবুল হোসেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বাজারের পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত শান্ত। তবে কি কারনে তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।