এই পাহাড়গুলো সবই একই সময়ে সৃষ্টি নয়, কিছু আগে পরে। তবে জিওলজিক্যাল ফরমেশন অনুযায়ী খাগড়াছড়ির মাটির জিওলজিক্যাল গঠনকাঠামো ধুপি টিলা ফরমেশন। ধুপি টিলা ফরমেশনের মূল বৈশিষ্ট্য এগুলো স্যান্ড স্টোন এবং ক্লে সংমিশ্রণে তৈরী যা সরাসরি সমূদ্রের ফরমেশনের সাথে সম্পৃক্ত। অগভীর সমূদ্রের স্ট্রাটোগ্রাফি আর খাগড়াছড়ির স্টাট্রোগ্রাফি একই। সেই হিসেবে বলা যায় খাগড়াছড়ি পাহাড়ে পরিণত হওয়ার পূর্বে টেথিস সাগরের অগভীর উপকূল ছিল এই অংশ। এটা থেকে সুস্পষ্টভাবে বলা যায় এখানে যে গাছের ফসিলগুলো পাওয়া যাচ্ছে এগুলো সামূদ্রিক উপকুলীয় বিশালাকার বৃক্ষের ধ্বংসাবশেষ যেগুলো হিমালয় পরবর্তী সময়ে পাহাড়ে পরিণত হওয়ার সময়ে মাটির গভীরে চলে যায়। বর্তমানে ২০ থেকে ৩০ ফুট গভীরে এমন ফসিল পাওয়া গেলেও আরও অনেক গভীরে এই ফসিলের অস্তিত্ত্ব রয়েছে।
চলতে থাকবে…..