খুলনা কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশীতে জনপ্রিয় নেতা মাকছুদ আলমকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, জনমনে ক্ষোভ।
দৈনিক আইনের কণ্ঠ | নিজস্ব প্রতিনিধি |
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ প্রচার সম্পাদক,পরিশ্রমী,ত্যাগী,
জনপ্রিয় ও কর্মীবান্ধব ছাত্রদল নেতা মাকছুদ আলমকে নিয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, খুলনা জেলা ও নিজ এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করায় একটি প্রভাবশালী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়িয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নসহ পুরো জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
মাকছুদ আলম দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি অর্পণ দক্ষিণ বেদকাশী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।অর্পণ দক্ষিণ বেদকাশী ব্যাপক জনপ্রিয় একটি শিক্ষা,ক্রীড়া,সাংস্কৃতিক,
সামাজিক ও মানবিক সংগঠন।অর্পণ দক্ষিণ বেদকাশী সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে খুবই পরিচিত এবং জনপ্রিয় সংগঠন হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে।
মানবসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের জন্য নিজ এলাকায় তিনি সর্বজনপ্রিয়। শুধু তাই নয়, খুলনা জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনেও তার নেতৃত্ব ও কার্যক্রম বিশেষভাবে প্রশংসিত।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুলনা জেলা শাখার সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি পড়াশোনায়ও মনোযোগী এই তরুণ জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয় থেকে গণিত বিষয়ে ব্যাচেলর অব সায়েন্স (অনার্স) সম্পন্ন করেছেন।তিনি ২০০৮ সালে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন।প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ২০০৮ সালে কৃতিত্বের সাথে সাধারণ বৃত্তি লাভ করেন।এছাড়াও ২০১৩ সালে দক্ষিণ বেদকাশী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫(A+) লাভ করেন।
মাকছুদ আলম দৈনিক আইনের কণ্ঠকে বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থেকেছি এবং থাকব। দক্ষিণ বেদকাশীর মানুষের ভালোবাসা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।একটি মহল এই জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে।কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবেই।”
এ বিষয়ে দক্ষিণ বেদকাশীর স্থানীয় সচেতন মহল দৈনিক আইনের কণ্ঠকে বলেন, “মাকছুদ আলম একজন সৎ ও জনপ্রিয় নেতা। তার নেতৃত্বে এলাকায় বিভিন্ন মানবিক কাজ হয়েছে। শুধু ইউনিয়ন নয়,পুরো খুলনা জেলায় তিনি একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। ষড়যন্ত্র করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
স্থানীয়রা আরও জানান, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাকছুদ আলমের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। তার নেতৃত্বে তরুণরা সংগঠিত হয়েছে এবং এলাকায় নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছেে না।