১৯৮০ সালে দীর্ঘ দিনের প্রেকিকাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন হুমায়ুন ফরিদী – তার নাম  নাজমুন আরা বেগম মিনু।
তাদের সেই ভালোবাসার আলো ঝলমলের রাজমহলে জন্ম হয়  রাজকুমারী – শারাফাত ইসলাম দেবযানীর তাদের সংসারে সুখের বন্যা বইয়ে শুরু করে। হাসি আনন্দে দিন কাটতো সুমধুর। কিন্তু ৪ বছর পর সেই – সুখের সুর হয় বেদনার সুর – কারন হুমায়ুন ফরিদী ভালোবেসে ফেলেন – বিখ্যাত অভিনেতা গোলাম মোস্তাফার মেয়ে অভিনেত্রী সুর্বনা মোস্তফাকে  ব্যাস,
১৯৮৪ সালে হুমায়ুন ফরিদী তার ভালোবাসার স্ত্রী মিনুকে তালাক দেন, আর তখন তার সেই ভালোবাসার স্ত্রী মিনু ছাতক পাখির মতো ফরিদীর দিকে তাকিয়ে থাকেন – আর অঝরে কেঁদে বুক ভাসান, যেন বাকরুদ্ধ হয়ে যান মিনু ।
ঠিক ঐ বছরই  ১৯৮৪ সালে
ভালোবেসে বিয়ে করেন অভিনেত্রী সুর্বনা মোস্তফাকে। এই সংসার ফরিদীর ভালোই চলছিল, একটানা ২৪ বছর তারা সংসার করেছেন, বহু নাটকে ছবিতে অভিনয় করেছেন।
কিন্তু এই সংসারেও বেদনার সুর বেজে উঠে যখন সুর্বনা মোস্তফা নাট্য পরিচালক সৌউদ কে ভালোবেসে ফেলেন।
ব্যাস
দীর্ঘ ২৪ বছরের সুখের সংসারের ইতি টেনে ফরিদীকে নিজেই তালাক দেন সুর্বনা মোস্তফা – তারপর দ্রুত বিয়ে করে নেন  নাট্য পরিচালক সৌউদ কে  আর
মিনুর মতো  হুমায়ুন ফরিদী ছাতক পাখির মতো সুর্বনার দিকে চেয়ে চেয়ে দেখেছেন – এবং বাকরুদ্ধ হয়েছেন।
সেই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে
২০১২ সালের ১৩ ই ফেব্রয়ারী নিজ বাসায় নিসঙ্গ অবস্হায় একাই ধুকে ধুকে মারা যান – এই বিখ্যাত অভিনেতা। তাই তো বলি – বিধির বিধান বোঝা পড় দায়, অন্য কাউকে ঠকালে – একদিন নিজে কেও ঠকতে হয়।
স্টিল ছবিতে  হুমায়ুন ফরিদী, তার প্রথম স্তী মিনু এবং তার মেয়ে –