জুলাই আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা মোঃ সুমন হোসেন, কমলনগর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল এর যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং সেচ্ছাসেবক দল লক্ষীপুর জেলা এর সহ-সাধারণ সম্পাদক।

৫ই আগষ্ট এর সৈরাচার ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ও হাসিনার পেটুয়া বাহিনী প্রশাসন কতৃক গুরুতর আহত হয় মাথায় গুলি লেগে..ঢাকার যাত্রা বাড়ী মোড়ে, কোন রকম প্রাণে বেঁচে যায়।

এখন সে রেগুলার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
রীতিমতো অবাক করা বিষয় হলো তার আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করার পরও তার জন্য দলীয় ভাবে কোন খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি, এবং জুলাই যোদ্ধা হিসেবে সরকারি কোন সহযোগীতাও পায়নি।
এমনকি চিকিৎসার জন্য কোন সার্বিক সহযোগিতাও পায়নি।
তার আগে ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ ঢাকা মহাসমাবেশ থেকে গ্রেফতার হয়ে প্রায় দেড়মাস জেল খেটে মুক্তি পায় সুমন ।
সাধারন নেতাকর্মীদের মনে প্রশ্ন হলো আসলে ১৭ বছরের আন্দোলনের সৈনিক আর জুলাই যোদ্ধা হিসেবে বিএনপি ও বর্তমান ইউনূসের সরকার কাদের জন্য?
যদি আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের পরিবারের খোঁজ খবর নাইবা রাখে?

স্বেচ্ছাসেবকদলের অনেকেই ফেইসবুকে পোষ্ট করেছিলো জুলাই যোদ্ধা সুমনের আহত হওয়ার চিত্র তুলে ধরার জন্য, ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানবিক সহায়তা হিসেবে হোক অথবা দলীয় সহায়তা হিসেবে হোক অভাগা মানুষটির জন্য কারো পক্ষ থেকে সহযোগীতা আসে নি,কারো মন গলেনি তার জন্য।
তাই এলাকাবাসীর আকুতি  জাতীয়তাবাদী যোদ্ধারা আমাদের এই শহীদ জিয়ার একনিষ্ঠ সৈনিক এর জন্য কি সহযোগী হতে পারেন,তারা
সুমন সাহেবের পরিপূর্ণ সুস্থতা ও দোয়া কামনা করেছেন।