1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৪.০৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ - dailyainerkantho
৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| মঙ্গলবার| রাত ১২:১১|
শিরোনামঃ
সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে!! রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ খেলোয়াড় বাছাই সম্পন্ন, তারুণ্যের জয়জয়কার। মনোহরগঞ্জে ৩০০শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক মো. আলিফ রানা পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব সম্মাননা প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও দক্ষতা কাজে লাগাতে ২৮-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ মনোহরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চলতি মাসেই করতোয়া নদীর খননকাজ শুরু হচ্ছে: বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী! বিএনপি জন্মগতভাবেই জাতির সাথে প্রতারণা করে আসছে: শিবির সভাপতি বগুড়ার মোট জিপিএ-৫-এর ৫৭ শতাংশই সরকারি আজিজুল হক কলেজের দখলে

দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৪.০৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ২৯, ২০২৫,
  • 161 Time View

 শেষ হওয়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪০৮ কোটি ৬৯ লাখ বা ৪ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এছাড়া, এ অর্থবছরে ৮৫৬ কোটি ৪০ লাখ বা সাড়ে আট বিলিয়ন ডলারের অর্থছাড় করানো সম্ভব হয়েছে। 

রবিবার (২৭ জুলাই) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ এখন বিদেশি ঋণ পরিশোধের এক নতুন চাপে পড়েছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এক অর্থবছরে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ মিলিয়ে পরিশোধের পরিমাণ ৪০০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে মোট ৪০৮৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, এই পরিমাণের মধ্যে ২৫৯৫ মিলিয়ন ডলার ছিলো ঋণের মূলধন এবং ১৪৯১ মিলিয়ন ডলার ছিলো সুদ। আগের অর্থবছরে এসব খাতে পরিশোধের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২০২০ এবং ১৩৪৯ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মূলধন পরিশোধে ২৯ শতাংশ এবং সুদ পরিশোধে ১১ শতাংশের মতো বৃদ্ধি হয়েছে।

এই ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গত এক দশকে নেওয়া বিশাল অবকাঠামো প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার ঋণগুলোর অনুগ্রহকাল শেষ হয়ে যাওয়া। ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ কয়েকটি বড় প্রকল্পের ঋণের কিস্তি আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই শুরু হবে। ফলে ভবিষ্যতে এই চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের অতি উৎসাহে নেওয়া অনেক বড় প্রকল্পের পেছনে যথাযথ পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক লাভজনকতা যাচাই করা হয়নি। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৬-১৭ সাল থেকে সরকার যেসব বড় প্রকল্পে ঋণ নিয়েছে, তার অনেকগুলোই বাজেট ফুলিয়ে তৈরি হয়েছে, বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়েই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশে রাজস্ব আদায় দুর্বল থাকায় বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে

বরং গত সাত বছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ টান পড়ে। তখন বাজেট সহায়তার নামে স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিশোধযোগ্য অনেক ঋণ নেওয়া হয়েছে, যেগুলোর শর্ত ছিলো কঠিন এবং সুদের হার ছিলো বেশি। এখন সেই ঋণগুলোর কিস্তি পরিশোধ শুরু হওয়ায় অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখন সময় এসেছে ঋণ ব্যবস্থাপনার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের। ভবিষ্যতে যেন ঋণের বোঝা দেশের অর্থনীতি ও বাজেট ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত না করে, সেজন্য এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে। শুধু ঋণ নেওয়ার দিকে নজর না দিয়ে সেই ঋণ কতটুকু অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর এবং সময়মতো পরিশোধযোগ্য তা নিশ্চিত করাই হবে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com