1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
আকিদাগত মিল ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঐক্য ফলপ্রসূ হবে না: মাওলানা হুজাইফা উমর - dailyainerkantho
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| সন্ধ্যা ৭:৩১|
শিরোনামঃ
‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় থমকে আছে মোল্লাবাজার সেতুর কাজ: দ্রুত সমাপ্তির দাবিতে সিরাজদিখানে মানববন্ধন

আকিদাগত মিল ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঐক্য ফলপ্রসূ হবে না: মাওলানা হুজাইফা উমর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জানুয়ারি ৫, ২০২৬,
  • 155 Time View

 

আকিদাগত মিল ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঐক্য ফলপ্রসূ হবে না: মাওলানা হুজাইফা উমর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা : ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বা শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের ক্ষেত্রে ‘আকিদা’ ও ‘মতাদর্শকে’ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হুজাইফা ইবনে উমর। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী দলগুলোর ঐক্যের স্বরূপ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ পেশ করেন।
আকিদা যখন ঐক্যের মানদণ্ড

মাওলানা হুজাইফা উমর বলেন, দীনের সাধারণ হেফাজতের জন্য ঐক্য হলে সেখানে তাওহীদের মৌলিক বিষয়গুলো মুখ্য হতে পারে। তবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন এলে শরিকদের আকিদা ও মতাদর্শই প্রধান নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “ইসলাম সম্পর্কে বোঝাপড়ায় আকাশ-পাতাল পার্থক্য থাকলে সে ঐক্য ফলপ্রসূ হবে না; বরং ইসলামী মূল্যবোধ আরও সংকটে পড়বে।

শরীয়া আইন ও সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কোনো রাজনৈতিক জোটকে যদি ‘ইসলামী সমঝোতা’ বলা হয়, তবে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে হবে রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নবী-রাসুল ও সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা রক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়নের বিষয়ে শৈথিল্য প্রদর্শন করে, তাদের সাথে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঐক্য কীভাবে সম্ভব? তার মতে, সাহাবায়ে কেরামের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা এবং তাদের সমালোচনামূলক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা ইসলামী আইনের অন্যতম ভিত্তি।

মাযহাবগত সংঘাত ও সামাজিক শৃঙ্খলা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এদেশের মানুষ মূলত হানাফী মাযহাব অনুসরণ করে। কিন্তু কিছু পক্ষ রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার আগেই হানাফী রীতিনীতি সরিয়ে ভিন্ন রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার মানসিকতা পোষণ করছে। এটি ভবিষ্যতে প্রান্তিক পর্যায়ে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বর্তমান চ্যালেঞ্জ: দীন হেফাজত না কি ক্ষমতা?
মাওলানা হুজাইফা উমর বর্তমান বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এখনো পূর্ণাঙ্গ শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠার পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বর্তমান সময়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দীনের হেফাজত, ইসলামী মূল্যবোধ এবং তাহজীব-তামাদ্দুন সংরক্ষণ করা। এই বাস্তবতার কারণেই দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম আকিদাগত পার্থক্য থাকা পক্ষগুলোর সাথে রাজনৈতিক সমঝোতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অবস্থান তিনি আরও জানান, উলামায়ে কেরামের এই সুচিন্তিত মতামতের ওপর ভিত্তি করেই ঐতিহ্যবাহী দল ‘জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’ নিজস্ব রাজনৈতিক পথ বেছে নিয়েছে, যা দীন ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় অধিক কার্যকর। তবে এই সিদ্ধান্তকে আরও ফলপ্রসূ করতে নিজেদের মতাদর্শের সকল পক্ষকে একটি বৃহত্তর ঐক্যমত্যে আনার ওপরও তিনি ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্বারোপ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho