1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু - dailyainerkantho
২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| সোমবার| সকাল ৬:১৫|
শিরোনামঃ
উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক মো. আলিফ রানা পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব সম্মাননা প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও দক্ষতা কাজে লাগাতে ২৮-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ মনোহরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চলতি মাসেই করতোয়া নদীর খননকাজ শুরু হচ্ছে: বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী! বিএনপি জন্মগতভাবেই জাতির সাথে প্রতারণা করে আসছে: শিবির সভাপতি বগুড়ার মোট জিপিএ-৫-এর ৫৭ শতাংশই সরকারি আজিজুল হক কলেজের দখলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি শিক্ষক, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক আশরাফুল আহমদ পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব পুরস্কার শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামায় সুঁই-সুতো হাতে প্রধান শিক্ষিকা

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

সাইফ উল্ল্যাহ
  • Update Time : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬,
  • 57 Time View

 

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

সাইফ উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক::

​সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজার এলাকায় ১০ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর জীবনসংগ্রাম নজর কেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেলবরষ ইউনিয়নের বীর উত্তর একই গ্রামের এই দুই শিশু একাধারে পড়াশোনা ও আমড়া বিক্রির মতো হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে নিজেদের এবং পরিবারের অভাবের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
​শিশুদের পরিচয়: সেলবরষ ইউনিয়নের মৃত সোনামিয়ার ছেলে রোমন মিয়া (১২) এবং একই গ্রামের কাছুমিয়ার ছেলে মাহির মিয়া (১০)।
​বর্তমানে তারা দুজনেই কচি বয়সে বাদশাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে আমড়া বিক্রি করে। জীবন
​সংগ্রামে পিতৃহারা বা অসচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের ওপর খুব অল্প বয়সেই জীবন সংগ্রামের বোঝা চেপে বসেছে। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত সত্ত্বেও তারা পড়াশোনার প্রতি টান বজায় রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমড়া বিক্রি থেকে পাওয়া সামান্য আয় দিয়েই তারা তাদের শিক্ষার খরচ এবং সংসারের জরুরি চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চরম দারিদ্র্যের কারণে বহু শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও রোমন ও মাহিরের এই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে উপযুক্ত সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা না পেলে এই শিশু দুটির ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন কতটুকু টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।##

সাইফ উল্লাহ
মোবা: ০১৭১২৪৫১৪৪৬
তারিখ: ১৫/৯/২৬

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com