1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন? - dailyainerkantho
৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| মঙ্গলবার| রাত ৮:০৫|
শিরোনামঃ
জামালগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি-এর কার্যক্রম পর্যালোচনা ও স্থায়িত্ব বিষয়ক সমন্বয় সভা মনোহরগঞ্জে অটোরিকশায় ছাগল চুরি, স্থানীয়দের সহায়তায় আটক ৩ এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সুনামগঞ্জ জেলা বিএনিপর চীনা ভাষা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিশেষ অবদান: ‘ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন রিচার্ড ইন্টারন্যাশনাল-এর এমডি মনিরুজ্জামান সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে!! রাজশাহীতে উৎসবমুখর আয়োজনে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ খেলোয়াড় বাছাই সম্পন্ন, তারুণ্যের জয়জয়কার। মনোহরগঞ্জে ৩০০শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক মো. আলিফ রানা পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব সম্মাননা প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও দক্ষতা কাজে লাগাতে ২৮-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬

পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ২১, ২০২৫,
  • 169 Time View

পরিবারের কারও হার্টের সমস্যা থাকলে সেটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে “ফ্যামিলিয়াল হিস্টরি” বা “পারিবারিক ইতিহাস” বলা হয়। এটি হৃদরোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর। অর্থাৎ, যদি আপনার বাবা-মা, ভাইবোন, দাদা-দাদি বা নানা-নানির মধ্যে কারও হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের ব্লকেজ বা স্ট্রোক হয়ে থাকে, তবে আপনারও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা গড়ে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ কিছু জিনগত (জেনেটিক) বৈশিষ্ট্য বাবা-মা থেকে সন্তানের শরীরে চলে আসে, যেগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে শুধুই জিন দায়ী নয়। পরিবারে এক ধরনের জীবনধারা বা খাদ্যাভ্যাসও থাকতে পারে যা একাধিক প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং হার্টের রোগে ভূমিকা রাখছে। যেমন—অতিরিক্ত তেল-মসলা খাওয়া, ব্যায়ামের অভাব, ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ ইত্যাদি। এগুলো যদি পরিবারে স্বাভাবিক অভ্যাস হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে সেটা সন্তানদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জিনগত এবং পরিবেশগত—দুই দিক থেকেই ঝুঁকি তৈরি হয়।

এই অবস্থায় করণীয় হলো, নিজের শারীরিক অবস্থার প্রতি সচেতন থাকা এবং নিয়মিত চেকআপ করা। যারা জানেন যে তাদের পরিবারে হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের উচিত অন্তত ২৫ বা ৩০ বছর বয়সের পর থেকেই রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার, ইসিজি ইত্যাদি টেস্ট করানো। কারণ অনেক সময় হার্টের সমস্যার কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না, অথচ শরীরের ভেতরে তা ধীরে ধীরে তৈরি হতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com