1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
মনোহরগঞ্জের হাসনাবাদে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী  - dailyainerkantho
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| সন্ধ্যা ৭:৩১|
শিরোনামঃ
‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় থমকে আছে মোল্লাবাজার সেতুর কাজ: দ্রুত সমাপ্তির দাবিতে সিরাজদিখানে মানববন্ধন

মনোহরগঞ্জের হাসনাবাদে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬,
  • 81 Time View

 

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।
মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ বাজার এলাকায় প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৮ মিটার আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজে গুরুতর অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুরু থেকেই নির্মাণকাজে চরম অবহেলা ও কারিগরি মান লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ইটের সিসি ঢালাইয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে রাবিশ জাতীয় খোয়া, নিম্নমানের ওয়েস্টেজ পাথর এবং ৬৫-৭৯ শতাংশ ক্লিঙ্কারযুক্ত নিম্নগ্রেডের সিমেন্ট। শুধু তাই নয়, সিমেন্টের পরিমাণও নির্ধারিত মানের চেয়ে কম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী। ফলে সামান্য চাপ বা ধাক্কাতেই ঢালাই ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে, যা নির্মাণমান নিয়ে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাহফুজ খান। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি দাবি করেন,কাজ যথাযথভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে।তবে নিম্নমানের পাথর, ইটের খোয়া ও সিমেন্ট ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সুস্পষ্ট কোনো জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর–এর চাঁদপুর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিনুল ইসলাম বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। প্রমাণ পাওয়া গেলে ভেঙে পুনরায় কাজ করতে বাধ্য করা হবে ঠিকাদারকে।
তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে এলাকাবাসী শুরুতে প্রতিবাদ জানান। পরবর্তীতে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর একই সামগ্রী দিয়েই পুনরায় ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কাজের শুরুতে প্রতিবাদ থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখন অনেকে নীরব রয়েছেন। এই সুযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি তাদের। বিষয়টি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সরকারি অর্থে নির্মিত অবকাঠামোতে এমন অনিয়ম শুধু রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় নয়, জননিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ—এমন মত সংশ্লিষ্ট সচেতন মহলের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho