
এস এম আনোয়ার
মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।
দীর্ঘ প্রবাস জীবনের বেদনা, অপেক্ষা আর নিপীড়নের অধ্যায় পেরিয়ে অবশেষে মাতৃভূমিতে ফিরলেন বিএনপির নির্যাতিত ত্যাগী নেতা আবু তালেব। মনোহরগঞ্জ উপজেলার ৬নং মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আবেগঘন গণসংবর্ধনার মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা ফুল, স্লোগান ও ভালোবাসায় সিক্ত করেন এই ত্যাগী নেতাকে।
জানা যায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একের পর এক মামলা ও হামলার মুখে পড়ে গোয়ালিয়া গ্রামের কৃতিসন্তান আবু তালেব জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবাসে পাড়ি জমাতে বাধ্য হন। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে নিজ বাড়িতে অবস্থান করাও তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। অবশেষে দীর্ঘ অনেক বছর পর দেশে ফিরে নেতাকর্মীদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবু তালেব বলেন,
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে আমরা বাড়িঘরে থাকতে পারিনি। মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে হয়েছিল। কিন্তু আজ দেশে ফিরে বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী ও দলের নেতাকর্মীদের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমার আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন,অতীতেও আমরা কালাম ভাইকে সাথে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। কালাম ভাই আমাদেরকে অতীতেও সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করে বিজয় ছিনিয়ে কালাম ভাইকে নিয়ে ঘরে ফিরবো।
ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন,
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা, হামলা ও নিপীড়নের মুখে পড়ে যুব নেতা আবু তালেবকে জীবন বাঁচাতে প্রবাসে পাড়ি জমাতে হয়েছিল। নিজ বাড়িতে অবস্থান করাও তার জন্য নিরাপদ ছিল না। শুধু তিনি নন—বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী একইভাবে নির্যাতিত হয়েছেন।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী—জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না, আর ত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। আজ আবু তালেবের এই ফিরে আসা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি একদিন অবশ্যই বিজয়ী হয়।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,বিএনপি নেতা আবুল কালাম,মাইনউদ্দিন টুনু, যুব নেতা মোজাম্মেল হোসেন,মিনার হোসেন, আব্দুল মোতালেব,জামাল হোসেন, মোশাররফ হোসেন,সহ ইউনিয়ন ও উপজেলা বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।