1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
মাধবপুরে জমি বিক্রির চেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ, ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতাপক্ষ - dailyainerkantho
২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| সোমবার| দুপুর ২:৪৪|
শিরোনামঃ
​ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০ পিস টাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার!! ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের পক্ষে জেলা ছাত্রদলের বিশাল শোডাউন ও মিছিল টানা ৭ দিন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও পানীয়র মোড়কে সতর্কবার্তার (এফওপিল) জন্য প্রচারণা কর্মসূচির উদ্বোধন ইবিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জন সহকারী জজকে সংবর্ধনা মাধবপুরে জমি বিক্রির চেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ, ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতাপক্ষ তরুণ প্রজন্মের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করা সম্ভব- চিফ হুইপ ​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় মামলা

মাধবপুরে জমি বিক্রির চেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ, ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতাপক্ষ

ফরাস উদ্দিন
  • Update Time : রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬,
  • 11 Time View

 

মাধবপুরে জমি বিক্রির চেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ, ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতাপক্ষ

ফরাস উদ্দিন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পাঁচ শতাংশ জমি বিক্রির চেষ্টায় ভুয়া দলিল ও নামজারি কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে আব্দুছ ছালাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জমি রেজিস্ট্রির সময় কাগজপত্র নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতাপক্ষ। এ ঘটনায় জমির মূল্য বাবদ পরিশোধ করা ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত না পাওয়ার আশঙ্কায় মাধবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্রেতা মোছাঃ নাজমা আক্তার লিজার ভাই মোঃ আনোয়ার হোসেন।

অভিযুক্ত আব্দুছ ছালাম মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জমি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপিত কথিত দলিলটির নম্বর ৪৫৩২, সন ২০২৬ তবে দলিলটির সত্যতা ও ভুয়া দলিল ঘটনার সঙ্গে কারো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাজমা আক্তার লিজার কাছে পাঁচ শতাংশ জমি বিক্রির জন্য আব্দুছ ছালামের সঙ্গে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। অভিযোগকারী আনোয়ার হোসেনের দাবি, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জমি রেজিস্ট্রির আগে প্রথমে ২ লাখ টাকা এবং রেজিস্ট্রির দিন বাকি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। এভাবে জমির সম্পূর্ণ মূল্য ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। টাকা লেনদেনের ভিডিও প্রমাণও তাঁদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানান অভিযোগকারী।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সোমবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রির কার্যক্রম চলাকালে উপস্থাপিত দলিল ও নামজারি-সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। অভিযোগকারীর দাবি, যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিল ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ পরিস্থিতিতে জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না করেই আব্দুছ ছালাম সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন আরও জানান, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করা হলে তিনি মিস কেস করার পরামর্শ দেন বলে অভিযোগকারীর দাবি। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আনোয়ার হোসেন ও তাঁর বোন নাজমা আক্তার লিজাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মান্নান মিয়া। তিনি বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমান আধুনিক যুগেও কীভাবে ভুয়া দলিল দিয়ে নামজারি কাগজ তৈরি বা ব্যবহার করা সম্ভব, তা আমাদের ভাবিয়ে তোলে। বিষয়টি আমিও জানতে পেরেছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পাঁচ শতাংশ জমির জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও তাঁরা জমির মালিকানা বুঝে পাননি। একই সঙ্গে টাকা ফেরত পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, টাকা উদ্ধারের ব্যবস্থা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোহেল রানা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুছ ছালামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com