
হরিণাকুন্ডু উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও লুটপাটের যে অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
বিগত দিনে হরিনাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিলো দুর্দশা গ্রস্থ, সেখান থেকে এই ডাক্তার আলমগীর হোসেন তার সততা ও কর্মনিষ্ঠা বলে অনেক উন্নতি সাধন করেছেন।যে হাসপাতালে এক্সরে বন্ধ ছিলো সেটা উনি চালু করেছেন।
যে এন্টিভেনাম এবং কুকুর, বিড়ালের, কামড়ের ভ্যাকসিন এর জন্য কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ যাওয়া লাগতো সেটা এখন হরিনাকুন্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাচ্ছেন, হাসপাতালের ভিতর অনেক নোংরা ডাস্টবিন, গাছ গাছালি পরিষ্কার করেছেন, যেখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জন ডাক্তার থাকার কথা সেখানে মাত্র পাঁচ জন ডাক্তার নিয়ে ভুক্তভোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্ন কর্মী ও সেবিকারা ভুক্তভোগীদের সাথে দুর্ব্যবহার করতো বকশিশের নামে একপ্রকার চাঁদা আদায় করতো তা বন্ধ করে দিয়েছে ডাক্তার আলমগীর হোসেন, এক কথায় দালাল মুক্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
আগের চেয়ে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিছন্ন হয়েছে কিন্তু কিছু মাদক সেবি ও ব্যবসায়ী হাসপাতালের মধ্যে জরাজীর্ণ এম্বুলেন্সের মধ্যে মাদক সেবন ও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে কথা বলার কারনে। এক শ্রেণীর দালাল চক্র ডাক্তার আলমগীর হোসেনের নামে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে।
ডাক্তার আলমগীর হোসেন এর নামে মিথ্যা বানোয়াট কিচ্ছা কাহিনী বলে কোন লাভ হবে না।
হরিনাকুন্ডু বাসি গত ১৮বছর পর হরিণাকুন্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন সৎ,ভদ্র,দায়িত্ববান ডাক্তার পেয়েছেন।