1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
অল্প শব্দে অসীম অনুভূতি। - dailyainerkantho
১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| রাত ৪:০৭|
শিরোনামঃ
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি শিক্ষক, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠক আশরাফুল আহমদ পেলেন শ্রেষ্ঠ যুব নেতৃত্ব পুরস্কার শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামায় সুঁই-সুতো হাতে প্রধান শিক্ষিকা বগুড়ার পাঁচ কলেজে সবাই ফেল করেছে  মনোহরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দুপচাঁচিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী আন্তর্জাতিক ৩ আয়োজনে বাংলাদেশের মানবিক সহায়তা ও জলবায়ু সহনশীলতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান ভোটের লড়াই শেষে জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ফুল নিয়ে ফয়সল বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ দুই আসামি গ্রেপ্তার

অল্প শব্দে অসীম অনুভূতি।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬,
  • 44 Time View

 

অল্প শব্দে অসীম অনুভূতি, ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টুতে নতুন সাহিত্যধারার উচ্ছ্বাস ১০ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জাগ্রত কেন্দ্রীয় কনফারেন্স রুমে
৩০০ কবির অংশগ্রহণ, বিনা নিবন্ধন ফিতে সম্মাননা পেলেন শ্রেষ্ঠ কবিরা
দুই লাইনের কবিতায় গভীর জীবনবোধের প্রকাশ, এই ব্যতিক্রমী কাব্যধারার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কবিতার জন্য সব সময় দীর্ঘ পঙ্‌ক্তির প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন অনুভূতির গভীরতা। মাত্র দুটি লাইনে মনের গহিনে লুকিয়ে থাকা আবেগ, জীবনের গল্প কিংবা দর্শনের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরার ব্যতিক্রমী প্রয়াস ‘এক পলকের কাব্য’। এই নতুন চিন্তা ও সৃজনশীলতার ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, রাজধানীর জাগ্রত কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হলো ‘এক পলকের কাব্য’ উৎসব সিজন টু।
জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উৎসব পরিণত হয় সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। এবারের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০০ জন কবি তাঁদের কবিতা জমা দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্য থেকে নির্বাচিত কবিদের সম্মাননা প্রদান এবং অন্য অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ অনুষ্ঠানটিকে দেয় ভিন্নমাত্রা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি শাহেদ মুন্তাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক আলো, বাংলাদেশ পোয়েটস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, নাসরিন জেরিন, প্রখ্যাত ছড়াকার আসলাম সানিসহ সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের উপস্থিতি আয়োজনের মর্যাদা ও প্রাণবন্ত পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে।
নতুন কাব্যধারার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম
‘এক পলকের কাব্য’র নেপথ্যে রয়েছে একটি সময়োপযোগী চিন্তা। আর সেই চিন্তার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। তিনি উপলব্ধি করেছেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রা যেমন দ্রুততর হচ্ছে, তেমনি পরিবর্তিত হচ্ছে পাঠাভ্যাস ও সাহিত্য গ্রহণের ধরন। ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার এবং ব্যস্ত জীবনের বাস্তবতায় দীর্ঘ সাহিত্য পাঠের সুযোগ অনেকের কাছেই সীমিত হয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে কবিতাকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে যাওয়া এবং স্বল্প সময়ে গভীর অনুভূতির সঙ্গে পাঠকের সংযোগ তৈরি করাই তাঁর এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
শিহাব রিফাত আলমের ভাবনায়, সময়ের প্রয়োজনে সাহিত্যের উপস্থাপনায়ও নতুনত্ব আসতে পারে। সেই নতুনত্ব মানে সাহিত্যের গভীরতা কমিয়ে দেওয়া নয়, বরং অল্প শব্দের মধ্যে সেই গভীরতাকে আরও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করা।
এই ভাবনা থেকেই তিনি প্রবর্তন করেন ‘এক পলকের কাব্য’, দুই লাইনের একটি বিশেষ কাব্যধারা, যেখানে শব্দের সংখ্যা সীমিত হলেও ভাবনার পরিসর হতে পারে অসীম।
দুই লাইনে একটি গল্প, অল্প কথায় গভীরতা
‘এক পলকের কাব্য’র প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দুটি লাইনের মধ্যে একটি গভীর অনুভূতি, জীবনবোধ, দর্শন কিংবা গল্পের নির্যাস প্রকাশ করা। এই কাব্যধারায় প্রতিটি লাইনে সর্বোচ্চ নয়টি শব্দ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ফলে একজন কবিকে অল্প শব্দ নির্বাচন করেই তাঁর মনের ভাবকে যথাযথভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
এখানে শব্দের আধিক্য নয়, শব্দের যথার্থতাই গুরুত্বপূর্ণ। একটি শব্দের অবস্থান, একটি বাক্যের গঠন কিংবা একটি অনুভূতির প্রকাশ পুরো কবিতার অর্থকে বদলে দিতে পারে। তাই এই কাব্যধারা কবির কল্পনাশক্তি, ভাষার দক্ষতা, চিন্তার গভীরতা ও সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশের ক্ষমতার এক অনন্য পরীক্ষা।
‘অল্প কথা কিন্তু গভীরতা অনেক’ এই দর্শনকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছে ‘এক পলকের কাব্য’। অল্প কথায় যিনি একটি পূর্ণাঙ্গ গল্পের অনুভূতি পাঠকের মনে পৌঁছে দিতে পারেন, তিনিই প্রকৃত অর্থে শব্দের শক্তিকে কাজে লাগাতে সক্ষম।
বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কবিতাকে সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করার এই উদ্যোগ তাই শুধু সংক্ষিপ্ত কবিতা রচনার আয়োজন নয়, বরং সাহিত্যকে নতুনভাবে উপলব্ধি করার একটি সৃজনশীল প্রচেষ্টা।
নিবন্ধন ফি ছাড়াই কবিতা, মেধার ভিত্তিতে সম্মাননা
‘এক পলকের কাব্য’ উৎসবের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে অংশগ্রহণের জন্য কোনো নিবন্ধন ফি নেওয়া হয় না। কবিরা বিনা নিবন্ধন ফিতে তাঁদের সৃষ্টিকর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আয়োজকদের লক্ষ্য, অর্থনৈতিক সামর্থ্য যেন কারও সাহিত্যচর্চা কিংবা সৃজনশীল অংশগ্রহণের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করা, নতুন লেখকদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং কবিদের সৃষ্টিকর্মের যথাযথ মূল্যায়ন করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয় কবিতার মান, ভাবনার গভীরতা ও সৃজনশীলতাকে।
সিজন টুতে জমা পড়া কবিতাগুলোর মধ্য থেকে চারজন বিচারকের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ ছয়টি কবিতা নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত কবিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অন্য অংশগ্রহণকারী কবিদের উৎসাহিত করতে ৫০ জন কিংবা তারও বেশি কবিকে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবারের সিজন টুতে শ্রেষ্ঠ কবিতার স্বীকৃতি ও সম্মাননা পেয়েছেন নুরুল হক খান মাস্টার, হাসিনা সুলতানা, রমেন্দ্র হালদার, হাফিজা শাহীন, ফৌজিয়া রুবি এবং মো. দেলোয়ার হোসেন।
এই সম্মাননা কেবল কয়েকজন কবির অর্জন নয়, বরং সাহিত্যচর্চায় যুক্ত প্রত্যেক সৃজনশীল মানুষের জন্য একটি অনুপ্রেরণার বার্তা। একজন কবির কাছে তাঁর সৃষ্টির স্বীকৃতি যেমন মূল্যবান, তেমনি নতুন লেখকের জন্য একটি সম্মাননা হতে পারে ভবিষ্যতে আরও ভালো লেখার প্রেরণা।
৩০০ কবির অংশগ্রহণে সিজন টুর প্রাণবন্ত আয়োজন
এবারের ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টুতে প্রায় ৩০০ জন কবির কবিতা জমা পড়া আয়োজনটির প্রতি সাহিত্যপ্রেমীদের আগ্রহের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। তাঁদের মধ্য থেকে নির্বাচিত কবিদের সম্মাননা এবং অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের জন্য মেডেল প্রদানের উদ্যোগ কবিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাহিত্যচর্চার আগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে।
জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত কবি ও নতুন লেখকদের একত্র করার পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত কবিতার প্রতি মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি করতে চায়। এমন আয়োজনের মাধ্যমে কবিরা তাঁদের ভাবনা প্রকাশের সুযোগ পান, অন্যদের সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে জানতে পারেন এবং নিজেদের সাহিত্যচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।
বিশেষ করে যাঁরা নতুন লিখছেন কিংবা সাহিত্যাঙ্গনে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলতে চান, তাঁদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ সাহিত্যচর্চার বিকাশে প্রয়োজন সৃষ্টির স্বাধীনতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং যথাযথ স্বীকৃতি।
বাংলা সাহিত্যে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার
বাংলা কবিতার রয়েছে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নতুন প্রকাশভঙ্গি ও সৃজনশীল পরীক্ষার সুযোগও তৈরি হয়। ‘এক পলকের কাব্য’ তেমনই একটি সময়োপযোগী প্রয়াস, যেখানে সংক্ষিপ্ত পরিসরের মধ্যে গভীর অনুভূতি প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ কবিতার মতোই দুই লাইনের কবিতাতেও প্রেম, বিরহ, মানবিকতা, প্রকৃতি, জীবনসংগ্রাম কিংবা দর্শনের প্রকাশ ঘটতে পারে। পার্থক্য হলো, এখানে কবিকে অনেক বেশি সচেতনভাবে শব্দ নির্বাচন করতে হয়। অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিয়ে মূল অনুভূতিটিকে স্পষ্ট ও শক্তিশালী করে তোলাই হয়ে ওঠে সৃজনশীলতার প্রধান চ্যালেঞ্জ।
শিহাব রিফাত আলমের প্রবর্তিত এই কাব্যধারা ভবিষ্যতে বাংলা সাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তোলার সম্ভাবনা বহন করে। এর সাফল্য নির্ভর করবে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা, কবিতার মান, পাঠকের আগ্রহ এবং নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণের ওপর।
জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির এই আয়োজন সেই পথচলাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। কোনো নিবন্ধন ফি ছাড়াই অংশগ্রহণের সুযোগ, বিচারকদের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ কবিতা নির্বাচন এবং কবিদের সম্মাননা প্রদান, সব মিলিয়ে এটি সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করার একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।
শব্দ কম, অনুভব গভীর
‘এক পলকের কাব্য’র মূল শক্তি তার সংক্ষিপ্ততায়, আর তার সৌন্দর্য অনুভূতির গভীরতায়। এখানে দুটি লাইন কেবল দুটি বাক্য নয়, বরং একটি ভাবনা, একটি গল্প কিংবা একটি জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠতে পারে।
প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলমের চিন্তা ও দর্শনকে কেন্দ্র করে এই কাব্যধারা মানুষের কাছে কবিতাকে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও যেন মানুষ এক মুহূর্ত থেমে কোনো কবিতা পড়ে, নিজের অনুভূতির সঙ্গে মিল খুঁজে পায় এবং সাহিত্যের প্রতি নতুন করে আগ্রহী হয়ে ওঠে, এটাই এই উদ্যোগের অন্তর্নিহিত প্রত্যাশা।
অল্প শব্দে অনেক কথা বলা, ক্ষুদ্র পরিসরে বিশাল অনুভূতি ধারণ করা এবং এক পলকেই পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করা, এই দর্শনকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলেছে ‘এক পলকের কাব্য’।
দুই লাইনে একটি ভাবনা, অল্প শব্দে গভীর জীবনবোধ, আর ক্ষুদ্র পরিসরে অনুভূতির অসীম প্রকাশ। সময়ের প্রয়োজন থেকে জন্ম নেওয়া এই ব্যতিক্রমী কাব্যধারার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। তাঁর এই উদ্যোগ বাংলা সাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার চর্চাকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি কবি ও পাঠকের মধ্যে নতুন এক সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারে।
‘এক পলকের কাব্য’ যেন মনে করিয়ে দেয়, কবিতার গভীরতা মাপা যায় না শব্দের সংখ্যায়। কখনো কখনো মাত্র দুটি লাইনই মানুষের হৃদয়ে একটি সম্পূর্ণ গল্প লিখে দিতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com