1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন? - dailyainerkantho
৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| রাত ৯:৪৬|
শিরোনামঃ
শহীদ আবরার ফাহাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী চেতনার অমর প্রতীক : আতিকুর রহমান কামালী ’শুদ্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জিত বিশেষ সম্মাননা রাজশাহী মহানগরবাসীকে উৎসর্গ করলেন রাসিক প্রশাসক শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন পূজা উদযাপন ফ্রন্ট। প্রভাবশালীর দখলে যাচ্ছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ৩৮১.৭৫ শতাংশ জমি? 0xf3bec429 ইত্তেফাকুল উলামার বারহাট্টা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত শাইখুল হাদিস মুফতি ফেরদাউস আহমদ ডহরপুরী উদ্যোক্তা ইবিয়ান, আইইএলটিএস করার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি ১০ম গ্রেড প্রদান, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ ও পদোন্নতির সহযোগিতায় এম-ট্যাবের পাশে আছি- ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Pathways to Higher Education in Foreign Countries শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ২১, ২০২৫,
  • 152 Time View

পরিবারের কারও হার্টের সমস্যা থাকলে সেটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে “ফ্যামিলিয়াল হিস্টরি” বা “পারিবারিক ইতিহাস” বলা হয়। এটি হৃদরোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর। অর্থাৎ, যদি আপনার বাবা-মা, ভাইবোন, দাদা-দাদি বা নানা-নানির মধ্যে কারও হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের ব্লকেজ বা স্ট্রোক হয়ে থাকে, তবে আপনারও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা গড়ে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ কিছু জিনগত (জেনেটিক) বৈশিষ্ট্য বাবা-মা থেকে সন্তানের শরীরে চলে আসে, যেগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে শুধুই জিন দায়ী নয়। পরিবারে এক ধরনের জীবনধারা বা খাদ্যাভ্যাসও থাকতে পারে যা একাধিক প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং হার্টের রোগে ভূমিকা রাখছে। যেমন—অতিরিক্ত তেল-মসলা খাওয়া, ব্যায়ামের অভাব, ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ ইত্যাদি। এগুলো যদি পরিবারে স্বাভাবিক অভ্যাস হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে সেটা সন্তানদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জিনগত এবং পরিবেশগত—দুই দিক থেকেই ঝুঁকি তৈরি হয়।

এই অবস্থায় করণীয় হলো, নিজের শারীরিক অবস্থার প্রতি সচেতন থাকা এবং নিয়মিত চেকআপ করা। যারা জানেন যে তাদের পরিবারে হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের উচিত অন্তত ২৫ বা ৩০ বছর বয়সের পর থেকেই রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার, ইসিজি ইত্যাদি টেস্ট করানো। কারণ অনেক সময় হার্টের সমস্যার কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না, অথচ শরীরের ভেতরে তা ধীরে ধীরে তৈরি হতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com