1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
বার কাউন্সিলে জাককানইবি আইন বিভাগের চার ব্যাচে ৮০ শিক্ষার্থীর সাফল্য - dailyainerkantho
৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| রাত ১:৫৬|

বার কাউন্সিলে জাককানইবি আইন বিভাগের চার ব্যাচে ৮০ শিক্ষার্থীর সাফল্য

মোঃ আরিফ হোসেন, জাককানইবি প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, মার্চ ১৭, ২০২৬,
  • 165 Time View

মোঃ আরিফ হোসেন, জাককানইবি প্রতিনিধিঃ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ  থেকে চার ব্যাচ থেকে বার কাউন্সিলের মৌখিক পরীক্ষায় আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ৮০ জন শিক্ষার্থী। নতুন বিভাগ হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট ১০টি ব্যাচ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান রয়েছে, এমন তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্যে গর্বিত অর্জন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত রবিবার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে জানা যায়, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

বিভাগটির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সানোয়ার রাব্বি প্রমিজ বলেন, “প্রতিটা আইনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কাছে মূলত আইনজীবী এবং জুডিশিয়াল সার্ভিস প্রফেশনকে বেস করেই স্বপ্ন থাকে। একাডেমিক ক্যারিয়ার শেষে বেশ অনেকগুলো ক্যারিয়ার অপরচিউনিটি থাকে, তবে প্রধান এবং মৌলিক লক্ষ্যের একটা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করে বার সনদটা অর্জন করা অর্থাৎ এডভোকেট হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া।”

সদ্য এডভোকেট হওয়া তোফায়েল আহমেদ বলেন, “তরুণ এডভোকেট হিসেবে আমার  অনুভূতি হচ্ছে যারা এই পেশাটাকে মনেপ্রাণে লালন পালন করেন, তারাই এ লাইনে আসবেন , বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েশনের  শিক্ষার্থীদের জন্যই এ প্রফেশনটা হওয়ায় উচিত ছিল। এরাই পারে  ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী এই পেশা কে  ফুটিয়ে তোলা , নৈতিকতা বজায় রেখে দেশের সর্বোচ্চ স্থানে আইনের ছাত্রদের উত্থাপন করা, সামাজিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা বজায় রেখে,আইনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া প্রত্যেকটা মানুষের পক্ষে তাদের অধিকার কে প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে আমার লক্ষ।আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক দেশের সকল ক্ষেত্রেই তার জন্য দেশের সকল নাগরিকেই সচেতন হওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা একান্তই আবশ্যক বটে।”

শিক্ষার্থীদের সাফল্যে বিভাগীয় প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমরা খুবই গর্বিত এবং আনন্দিত। আমরা যখন প্রথম বিভাগ চালু করি তখন বেশ সীমাবদ্ধতায় চালাতে হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। যারা বার কাউন্সিলের লাইসেন্স পেয়েছে তাদের অভিনন্দন আর যারা পায়নি তাদের হতাশ হলে চলবে না। এছাড়াও এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা অন্যান্য জায়গায় সফলতার স্বাক্ষর রাখছে।”

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com