
চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তিসমূহ:
> বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোতে ৫৯ বছর বা অবসরের আগের দিন পর্যন্ত চাকরিতে প্রবেশ করা যায়। তাহলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। বাংলাদেশের উচিৎ চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা উন্মুক্ত করা।
> সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়ানোর সাথে সরকারের কোন প্রকার আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই কিন্তু সিদ্ধান্তটি খুবই জনকল্যাণ মুখী। ফলে উপকৃত হবে কোটি কোটি শিক্ষিত যুব সমাজ, তার পরিবার, সর্বোপরি দেশের জনগণ।
> বর্তমানে বাংলাদেশের গড় খায় ৭২.৩ বছর, তাই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৫৫ বছর পর্যন্ত অনায়াসে বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
পাশ্ববর্তী দেশ সমূহে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৪০, ৪৫ এমনকি ৫৫ বছর পর্যন্ত রয়েছে।
> বিশ্বের ১৬২ টির অধিক দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৪০ বা তার অধিক রয়েছে, বাংলাদেশে কেন নয়?
চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা উন্মুক্ত হলে মেধা পাচার রোধ হবে।
> > চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সের বাঁধা না থাকলে ছাত্র সমাজ চাকরির আশায় বসে না থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটখাটো। কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্যে সম্পৃক্ত থেকে নিজেদেরকে আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।
> বিদেশ থেকে উন্নত ডিগ্রি অর্জন করেও দেশে এসে মেধা কে কাজে লাগাতে পারবে।
> প্রবাসে থেকে যারা কাজ করেন, তারা কোন কারণে সে দেশে চাকুরীচ্যুত হলে বা স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিলে সেক্ষেত্রে নিজ দেশে এসেও তাদের মেধা ও অভিজ্ঞতা কে তাদের নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্র সমূহে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
> বয়স বৃদ্ধি করাহলে দেশের মেধা দেশেই কাজে লাগানো যাবে, এতে করে সদ্য গ্রাজুয়েটেড ছাত্ররা তাদের নিজ নিজ ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী গবেষণা খাত নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাবে, যা দেশের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্র গুলোতে সৃজনশীল ও বিচক্ষণ মেধাসম্পন্ন উদ্যেক্তা গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে, যা দেশের অর্থনৈতিক অঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আনবে।
> বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে তথা বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে স্নাতকোত্তর/মাষ্টার্স সার্টিফিকেট অর্জন করতে প্রায় ২৬/২৭ বছর লেগে যায়, সেক্ষেত্রে সার্টিফিকেটের মেয়াদ থাকে মাত্র ৩ বছর। তাইলে সার্টিফিকেটের অর্জন কি শুধুমাত্র লক্ষ লক্ষ টাকা অঞ্চয়ের নামান্তর, এতে করে উচ্চ শিক্ষিত যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থা।
> এছাড়াও করোনা মহামারী, দারিদ্রতা, সেশনজট, রাজনৈতিক সহিংসতা, অসুস্থতা, ফলাফল বিপর্যয় ইত্যাদি কারণেও একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন বাঁধাগ্রস্থ হয়ে থাকে ফলশ্রুতিতে শিক্ষা জীবন দীর্ঘায়িত হয়।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমায় বাঁধা থাকায় দেশের বেসরকারী চাকরিতেও প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩২ এর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।। > নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করে দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কে মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান করতে হবে।
> আন্তজার্তিক বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে বাংলাদেশের আগামীর পথচলায় বয়সসীমা বলে কিছু থাকা উচিৎ নয়।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আজ্ঞাবহ শাসন আমলে সকল পর্যায়ে নিয়োগ দূর্নীতি, প্রশ্নফাস এবং দলীয় নিয়োগ ব্যবস্থা চালু থাকার কারণে প্রকৃতি মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছে। যার ফলে চাকুরীতে বয়সসীমা বৃদ্ধিকরণ অত্যন্ত আবশ্যক।
যুক্তরাষ্ট্র-৫৯ বছর
কানাডা-৫৯ বছর
মালয়েশিয়া-৫৫ বছর
অস্ট্রেলিয়া-৫৫বছর
শ্রীলংকা-৪৫ বছর
&
সিংগাপুর-৫৫ বছর
ইন্দোনেশিয়া-৪৫ বছর
কুয়েত-৫৫ বছর
ওমান-৫৫ বছর
কাতার-৫৫ বছর
বাহরাইন-৫৫ বছর
আরবআমিরাত-৫৫ বছর
সৌদি আরব-৫৫ বছর
সুইডেন-৪৭ বছর
ফ্রান্স-৪০ বছর
বাংলাদেশ-৩২ বছর