1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি  - dailyainerkantho
৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৬:৫৪|
শিরোনামঃ
বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় আসামির ৬০ বছরের কারাদণ্ড!! তামাকজনিত অকালমৃত্যু রোধ ও এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়নের তাগিদ আইএনজিও ফোরাম অন আই হেলথ ইন বাংলাদেশ ও এনআইওএইচ এর যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উদযাপন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতীক পেলেন ৫ প্রার্থী ৪ হাজার টাকার ভাড়া বাসায় থাকেন সাবেক এমপিকন্যা অথচ বাবার রয়েছে ১৮টি ফ্ল্যাট ও বিশাল সম্পত্তি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকা নির্ধারণসহ যেসব দাবি জানায় সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার চা কে শিল্প খাত থেকে কৃষি খাতে রূপান্তরের ফলে চা শ্রমিকের আইনি মর্যাদা ও অধিকার রোহিত হবে- পঙ্কজ কন্দ শহীদ আবরার ফাহাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী চেতনার অমর প্রতীক : আতিকুর রহমান কামালী ’শুদ্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জিত বিশেষ সম্মাননা রাজশাহী মহানগরবাসীকে উৎসর্গ করলেন রাসিক প্রশাসক

হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুন ৩০, ২০২৫,
  • 166 Time View

গত শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যাসন্তান জন্ম দেন ইশা। আর রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় নিপুণ ক্লিনিকেই অনুষ্ঠিত হয় তাঁর বাংলা দ্বিতীয় পত্রের লিখিত পরীক্ষা। মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ আছেন।

ইশার বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাশার গ্রামে। বাবা মো. শাহ আলম সিকদারের একমাত্র মেয়ে ইশা গত বছর (২৮ জুন) বিয়ে করেন কাশাভোগ এলাকার মাহবুবুর রহমান তুষারকে, যিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সন্তানসম্ভবা অবস্থাতেও ইশা নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেয়ার পর শুক্রবার রাতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাঁকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও পরীক্ষা দিতে চান ইশা। বিষয়টি কলেজের শিক্ষক মো. মাসুম মিয়াকে জানানো হলে তিনি অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ওয়াজেদ কামালের অনুমতিক্রমে রবিবার সকালে ক্লিনিকে উপস্থিত হয়ে এক নারী শিক্ষক ও এক নারী পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

প্রফেসর ওয়াজেদ কামাল বলেন,
মেয়েটির এমন সাহসিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। হাতের লেখা ছিল অসাধারণ সুন্দর। সে খুব মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। এই মেয়েরাই আমাদের গর্ব।

ইশার মা সুহাদা বেগম বলেন,
মেয়ের এমন সাহসিকতা ও অধ্যবসায় দেখে আমি অভিভূত। এত বড় ধকলের পরও সে পরীক্ষায় বসেছে—এটা ভাবতেই পারিনি। সবার কাছে দোয়া চাই আমার মেয়ে ও নাতনির জন্য।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com