1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে। - dailyainerkantho
৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| রাত ১০:২৮|
শিরোনামঃ
শহীদ আবরার ফাহাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী চেতনার অমর প্রতীক : আতিকুর রহমান কামালী ’শুদ্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জিত বিশেষ সম্মাননা রাজশাহী মহানগরবাসীকে উৎসর্গ করলেন রাসিক প্রশাসক শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন পূজা উদযাপন ফ্রন্ট। প্রভাবশালীর দখলে যাচ্ছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ৩৮১.৭৫ শতাংশ জমি? 0xf3bec429 ইত্তেফাকুল উলামার বারহাট্টা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত শাইখুল হাদিস মুফতি ফেরদাউস আহমদ ডহরপুরী উদ্যোক্তা ইবিয়ান, আইইএলটিএস করার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি ১০ম গ্রেড প্রদান, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ ও পদোন্নতির সহযোগিতায় এম-ট্যাবের পাশে আছি- ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Pathways to Higher Education in Foreign Countries শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫,
  • 136 Time View

 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজার যুদ্ধের পর এই প্রথমবারের মতো গাজা অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। বিস্তীর্ণ ধ্বংসস্তূপ আর আতঙ্কের মধ্যেও এই শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে।

শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই পরীক্ষা এবার পুরোপুরি অনলাইনে নেয়া হচ্ছে, যা এই অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের ঘটনা। যেহেতু অধিকাংশ বিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে, তাই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে নিজ বাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র অথবা কোনো ক্যাফেতে, যেখানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।

চরম চ্যালেঞ্জের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সংকল্প অটুট। অনেকের নেই মোবাইল বা কম্পিউটার, নেই পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক। ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কার মধ্যে আল-জাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজজুম বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রেও গাজার শিক্ষার্থীরা অনলাইনে লগ-ইন করছে, পরীক্ষা দিচ্ছে; এটাই বড় আশার বার্তা।

অনলাইনে পরীক্ষায় যেন প্রযুক্তিগত সমস্যা না হয়, তার জন্য আগেই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেক শিক্ষক নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল আবার খুলেছেন, যেন শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহায়তা পায়।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার ৯৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৬.৬ লাখ শিশু স্কুলবিচ্ছিন্ন। বহু বিদ্যালয় এখন আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত, আবার কিছু ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তু। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ এই অবস্থাকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ বলেও আখ্যা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com