1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
ইবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আল-কুরআন বিভাগের সংবাদ সম্মেলন - dailyainerkantho
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| সকাল ১০:৫৫|
শিরোনামঃ
গ্রীন ভয়েস-এর ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: নদী ও জলাশয় রক্ষায় গ্রীন ভয়েস-এর ৫ দফা দাবিসমূহ ‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়

ইবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আল-কুরআন বিভাগের সংবাদ সম্মেলন

ইবি প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ২৩, ২০২৫,
  • 142 Time View

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন মিঝির সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ.ব.ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফি, বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিকবৃন্দ।

এসময় আল-কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসিরউদ্দিন মিঝি বলেন, ” সাজিদ যেহেতু আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থী তাই আমাদের দায়বদ্ধতা একটু বেশি। আমরা সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। ইতিমধ্যেই আমাদের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যু কিভাবে হয়েছে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই তাদের কাজ অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি এই ছাত্র অবস্থান করতো শহিদ জিয়াউর রহমান হলে। সেই হলের প্রভোস্ট এবং হলবডির পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটিও তাদের কাজ অব্যাহত রেখেছে। সরকারিভাবে পুলিশ প্রশাসন সাজিদ আব্দুল্লাহ যে জায়গায় মারা গিয়েছে সে জায়গা এবং হলসহ প্রয়োজনীয় জায়গা পরিদর্শন করেছে এবং কাজ অব্যাহত রেখেছে।”

তিনি আরোও বলেন, “এই লাশ যখন মর্গ থেকে বের করে কবরস্থ করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন ছাত্রদের দাবির মুখে এবং শিক্ষার্থীদের ইমোশনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের প্রশাসনের সাথে তাদের এগ্রিমেন্ট হয়েছিল যে দশ কার্যদিবসের মধ্যে, যা পরবর্তীতে ছয় কার্যদিবসে উপনীত করা হয়েছিল সেই কাজও অব্যাহত আছে। সেই কাজটা কতটুকু অগ্রসর হয়েছে তার ফলোআপ জানার জন্য সাজিদ আব্দুল্লাহর বাবা এবং চাচাসহ কয়েকজন লোক গতকাল আমাদের ক্যাম্পাসে এসেছেন। তারা বিভাগের সাথে মতবিনিময় করেছেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির সাথেও বৈঠক করেছেন। সংশ্লিষ্ট হলের গঠিত তদন্ত কমিটির সাথে বৈঠক করেছেন। সর্বশেষ তারা পুলিশ প্রশাসনের সাথে বৈঠক করে বিদায় নিয়েছেন।

তারা যে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন যে, আমার সন্তান মারা গেছে। আমার সন্তানের যদি স্বাভাবিক মৃত্যু হয় এবং তদন্তের মাধ্যমে যদি এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়, আমার কোনো কথা নাই। কিন্তু যদি আমার সন্তানের কোনো অপঘাত অথবা কোনো অন্তর্ঘাতমূলক কোনো কার্যক্রমের ফলে মৃত্যু হয় তাহলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার চাই। অর্থাৎ সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে তিনি তারা মৃত সন্তানের বিচার চেয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যহত হয় এমন অথবা সাজিদ আব্দুল্লাহর লাশ যেন কোনো অপব্যবহার বা অপরাজনীতির শিকার না হয় সে ব্যাপারে তিনি অনুরোধ করেছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, আমার সন্তানের বিচার হচ্ছে আমার প্রধান মুখ্য বিষয়। কিন্তু আমার সন্তানকে কাজে লাগিয়ে কোনো ধরনের রাজনীতি বা অন্তর্ঘাতমূলক কিছু আমি চাই না। আমার মাধ্যমে উনার কথা আপনাদের কাছে পৌছে দিলাম। আপনাদের মাধ্যমে দেশ ও জাতি জানুক যে তিনি কী চাচ্ছেন।”

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি সাজিদের মৃত্যু এবং আন্দোলন কেন্দ্রিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত। সকল কিছুর প্রচারণা গুলো হতে হবে সঠিক। আপনাদের কাছে এই সহযোগিতা আমি কামনা করছি।

সাজিদ হত্যাকাণ্ড আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা দুর্বল। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ হলো মুখ্য বিষয় যেন হারিয়ে না যায়। এবিষয়ে অত্যন্ত সচেতনতার সাথে আপনারা ভূমিকা রাখবেন।

এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আল কুরআন বিভাগ, সকল সচেতন ছাত্রজনতা, ছাত্র-সংগঠন ও সাংবাদিকদের সঠিক ও সহায়ক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুলাই বিকেলে শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পুকুর থেকে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ আব্দুল্লাহর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এটা দুর্ঘটনা না-কি হত্যাকাণ্ড তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সাজিদ শহিদ জিয়াউর রহমান হলের ১০৯ নং কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র পরদিন ১৮ জুলাই জরুরি ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি করে প্রশাসন। অন্যদিকে একইদিনে শহিদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট ড. আব্দুল গফুর গাজীকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে হল প্রশাসন। উভয় কমিটিই ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। মৃত্যুর কারণ ও পেছনের সম্ভাব্য রহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho