1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
ঢাবির আ. লীগপন্থি দুই শিক্ষকের কক্ষে তালা - dailyainerkantho
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| দুপুর ১:০৮|
শিরোনামঃ
গ্রীন ভয়েস-এর ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: নদী ও জলাশয় রক্ষায় গ্রীন ভয়েস-এর ৫ দফা দাবিসমূহ ‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়

ঢাবির আ. লীগপন্থি দুই শিক্ষকের কক্ষে তালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ১, ২০২৫,
  • 141 Time View
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের আওয়ামী লীগপন্থি দুই শিক্ষকের কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আওয়ামীপন্থি নীল দলের সেই দুই শিক্ষক হলেন- আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান ও ড. সাদিক হাসান।

জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থানসহ ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার বৈধতা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীরা তাদের বিভাগ থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিভাগে গিয়ে তাদের কক্ষে তালা লাগান এবং তাদের সব কার্যক্রম থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান এবং চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জানান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা দুই শিক্ষকের কক্ষের দরজায় তাদের ছবিতে ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ লিখে পোস্টার লাগিয়ে দেন। এবং দুইটি কক্ষকে ‘দালালের রুম’ বলে চিহ্নিত করেন।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান ও ড. সাদিক হাসানকে বিভাগের সব অ্যাকাডেমিক কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু বছর না পেরুতেই তারা নতুন ব্যাচের ক্লাস নিচ্ছেন। তাছাড়া, তাদের বিভাগের ৫১ তম ব্যাচের রিসোর্স সুপারভাইজারেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যদিও ব্যাচটির শিক্ষার্থীরা তাদের বয়কট করেছিলেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ এখন আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন কেন্দ্র। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সরাসরি বিরোধিতা করা অসংখ্য শিক্ষক বয়কট হওয়ার পরেও এক অদ্ভুত ক্ষমতাবলে এখনও ডিপার্টমেন্টে ক্লাস নেয়, ডিপার্টমেন্টের সকল কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, নাম প্রস্তাব করা হয় ডিনস অ্যাওয়ার্ড কমিটিতে, বিশেষ সুবিধা দিতে দেওয়া হয় থিসিস সুপারভাইজারের দায়িত্বও।

তারা আরও বলেন, এর মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক সাদিক হাসান। যিনি জুলাই আন্দোলনের সরাসরি বিরোধিতা তো করেছেনই আবার শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে গিয়ে নীল দলের মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন। হাসিনা কর্তৃক যে রাজাকার ট্যাগ দেওয়া হয়েছিল শিক্ষার্থীদের সেখানে সাদিক হাসান স্বৈরাচার হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। শুধু অবস্থান নিয়েই থেমে থাকেননি, ১৫ জুলাইয়ের নির্মম নৃসংসতম হামলায় আহত হয়ে যখন শিক্ষার্থীরা কাতরাচ্ছে ঢাকা মেডিকেলের বিছানায়, তখন তিনি  ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে হাসিনা সরকার এবং  নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়ে বলেন- ‘এমন আত্মঘাতী স্লোগান দিলে নাকি মার খাওয়াটা স্বাভাবিক’।

কিন্তু ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পরও এক অসম্ভব ক্ষমতাবলে তিনি এখনও দোর্দণ্ডপ্রতাপে বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচে ক্লাস নিচ্ছেন। এদিকে শিক্ষার্থীরা যখন তাকে বয়কটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তখন শিক্ষার্থীদের সিজিপিএ কমিয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা ভয় ও শিক্ষাজীবন নিয়ে আশংকার জন্য মুখও খুলতে চান না।

তারা বলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান একই দোষে দন্ডিত। জুলাই আন্দোলনের ছাত্র নির্যাতন, হত্যার পরও তিনি আওয়ামী লীগ মদদপুষ্ট শিক্ষকদের সংগঠন নীলদলের হয়ে মিছিল করেন। এখনও বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যেমন: গেস্ট টিচার আনয়ন, কোর্স কর্ডিনেশন, শিক্ষক নিয়োগ, থিসিস সুপারভাইজার এসাইন করা ইত্যাদি বিভিন্ন ইস্যুতে তার সিদ্ধান্তই একান্ত বলে গণ্য হয়।

শিক্ষার্থরা বলেন, এইরকম সরাসরি ফ্যাসিবাদের দোসর, যে এখনও নিজেকে ফ্যাসিবাদী শাসক হাসিনার পক্ষের লোক হিসেবে দাবী করে এমন শিক্ষকদের অবাধ বিচরণে বিভাগের জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাই আমরা আজকে তাদের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেই। এই দুজন শিক্ষক যেন কখনো ডিপার্টমেন্টের কোন কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারেন সে দাবি জানাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho