
নিষিদ্ধ গল্প
ওয়াদুদ শাহীন ।
আজ আর কোন গল্প নেই।
কোন আবদার নেই, নেই জীবনের কোন উল্লাস। আমার পৃথিবী হারিয়ে গেছে অন্তর্জালের বাহিরে, কোথা খুঁজে পাবো তারে। শকুনের নজরে বলি হয়েছে এক জীবনের ভালোবাসা।
চাতকের বুকে ঠকঠক আওয়াজ করে, নেই কোন জল।
বিরান জনপদ, সাহারার তপ্ত গরমে এতোটুকন সজীবতা নেই।
বাঁশঝাড় খুঁজি, সবুজের মায়া খুঁজি, বরষার চাঁদ খুঁজি, বনবাদাড়ের জোনাক খুঁজি,
সবই যেন আমার সাথে বিদ্বেষ করে, বিদ্রোহ করে।।
অবুঝমন, কোন প্রবোধ নেই।
উচ্ছ্বাস নেই।
গল্পেরা হারিয়ে গেছে উৎস্যহীন পথের নিমযাত্রায়।
সব রশদ মিইয়ে গেছে অধরা স্বপ্নের চোরাবালিতে ।
এখানে ঝিনুক নেই, মুক্তো নেই।
মুক্তোর মালা সেতো তিরোহিত জীবনের আকালের ছবি।।
বইয়ের পাতায় এখন আর চোখের মমতা পড়েনা। নিয়ন বাতির আলোও পড়েনা।
জোর করে হাসলে মনের মাঝে আনন্দ আসেনা, বুকে ওজন বাড়ে।
সব হাসি মলিন হয়, ভালোবাসা উবে যায় তবু মায়া হারায় না
মায়ার অতৃপ্তে বন্দী বলে তোমার কথা মনে পড়ে। মায়া কখনো গল্প হতে পারেনা।
মায়া সবসময় অধৈর্য্যের সারবত্তা।
মায়া অমোঘ সত্যের এক শাশ্বত খুঁটি।।
ভুলের অনর্গল পথচলা আমার।
তবুও ক্লান্ত নই।
চেয়েছি, তোমার হাত ধরে জীবনটা সাজাবো, ফেলে আসা দিনের কদর্য দুরে ঠেলে
সুখের মহিয়ানে সাজাবো আমাদের জীবন তরীর গল্প।
কিন্তু সবই ভুল৷
জীবন নামক গল্প শুধু কষ্টের পাতায় লিখে লিখে ক্ষয় হয়েছে।
তবুও সব শব্দ বর্ণের পোস্টমর্টেম করা হয়নি। তাবত ভুল আমারি ছিলো।
বিশ্বাসের এপিট ওপিট এমনভাবে সংযোগ করা ঠিক হয়নি।।
বৃষ্টিতে সব মানুষ ভিজতে পারে না, অসুখ করে। তেমনি সব মানুষকে বিশ্বাস করা যায়না, সম্পর্কের উপহাস করে।
পথটা এক সাথে হাঁটতে হয়। হাত ধরতে হয়, পাশে থাকতে হয়।
মনের মধ্যে মনের বসতি হতে হয়।
নয়তো- এই কুলে আমি ঐকুলে তুমি, মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায় !!