
রক্তের দাগ, মেঝেতে লেগে থাকা পোড়া শরীরের ঝলসানো মাংস, হাড়গোড় সবকিছুই পরিষ্কার করে সরানো হচ্ছে।
রবিবার থেকে স্কুল খোলার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
বাচ্চারা আবারও সেই চিরচেনা ক্লাসরুমে যাবে।
স্কাই সেকশন, ক্লাউড সেকশনের বাচ্চারা দেখবে তাদের পরিচিত অনেক বন্ধুরাই নেই, শুধু বেঞ্চে লেগে থাকা ঝলসানো মাংস আর স্মৃতিগুলো আছে।
এই ক্লাসরুমে বসেই তো একসাথে ক্লাস করতো, খেলতো, গান গাইতো ওরা। অথচ অনেকেই আর ক্লাসে আসবে না।
স্কুলের মাঠ দেখে বাকি স্টুডেন্টদেরও মনে পড়বে সেদিনের কথা।
কিন্তু বছর ঘুরলেই বাচ্চারাও হয়তো চিরায়ত নিয়ম মেনে আবারও ক্লাস করবে, গান গাইবে, খেলবে, ভুলে যাবে অনেককিছু।
পৃথিবী কারো জন্যেই থেমে থাকে না। ঝলসানো শরীরে মারা যাওয়া নিষ্পাপ বাচ্চাদের জন্যেও হয়তো থেমে থাকবে না।
এক টপিকের পর আরেক টপিক আসবে, নতুন কনটেক্সটের ভিড়ে আমরাও হয়তো ভুলে যাব সবকিছু।
কিন্তু যেই মা তার সন্তানের পোড়া লাশ ছুঁয়েছে সে-ই মা কি আর কোনদিনও ভুলতে পারবে.?