
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনার মধ্যদিয়ে জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশের রাজনীতিতে অভিষেক হয়।সিপাহী বিপ্লবের মধ্যদিয়ে জিয়াউর রহমান বাংলার রাজনীতিতে মহানায়ক হয়ে উঠেন।এর পরবর্তী ইতিহাস কারো অজানা নয়।যখনই বাংলাদেশের মানুষের সামনে অমানিষার কালো মেঘ দেখা দিয়েছে ঠিক তখনই বিএনপি নামক দলটি ত্রাতার ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে,ইতিহাস এমনটিই বলে,পরবর্তীতে ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থান বিএনপির হাত ধরেই সংঘটিত হয়েছিলো।বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের ১৬টি বছর এদলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা করা হয়েছিলো, শত শত নেতাকর্মীদের খুন,গুম করা হয়েছিলো,লাখ লাখ নেতাকর্মীদের বাস্তুচ্যুত করা হয়েছিলো, দলটির প্রধান খালেদাজিয়াকে গৃহবন্দী করা হয়েছিলো , চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিলো,তারেক রহমান সাহেবের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছিলো,এরপরেও জিয়া পরিবার স্বৈরাচারের নিকট নতি শিকার করেন নি,ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে আন্দোলন জারি রেখেছিলেন।২৪ এর গনবিপ্লবে সারাদেশে বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মী অংশ নিয়েছিল, শত শত নেতাকর্মী শহীদ হন, হাজার হাজার নেতাকর্মী পঙ্গুত্ববরন করেছিলো,অথচ এত ত্যাগ আর কুরবানির বিনিময়ে দলটি কপালে জুটেছে অপপ্রচার, একশ্রেণীর মানুষের লাগামহীন মিথ্যাচার,এরজন্য বিএনপির মিডিয়া সেলও কম দায়ী নন,তারা এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বললেই চলে।সম্প্রতি মিডফোর্ডে হত্যাকান্ডের শিকার হওয়া ব্যবসায়ী সোহাগ যুবদলের ঢাকা মহানগরী দক্ষিনের রাজনীতিতে সক্রিয় জড়িত ছিলেন,এটাও কেউ দেশবাসীকে জানাতে পারেনি।বাংলাদেশের স্বাধীনতা,সার্বভোমত্বের একমাত্র রক্ষাকবচ জাতিয়তাবাদী দল বিএনপি, দলটি বার বার তা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছে তারাই স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী।কোনো প্রকার মিথ্যাচার দিয়ে এদেশের গনমানুষের থেকে বিএনপিকে আলাদা করা সম্ভব হবে না,বিএনপির সম্পর্ক এদেশের মাটির সাথে, মানুষের সাথে,প্রায় দেড় যুগ ধরে অজস্র জুলুম নির্যাতন ও হাজার হাজার শহীদের রক্তের উপরে হিমালয় পাহাড়ের মত যে দলটি বাংলাদেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে তার নাম বিএনপি।
লেখক ও কলামিস্ট : মো.আব্দুল্লাহ আল মামুন।