1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন? - dailyainerkantho
২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| সোমবার| রাত ৩:০১|
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের পক্ষে জেলা ছাত্রদলের বিশাল শোডাউন ও মিছিল টানা ৭ দিন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও পানীয়র মোড়কে সতর্কবার্তার (এফওপিল) জন্য প্রচারণা কর্মসূচির উদ্বোধন ইবিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জন সহকারী জজকে সংবর্ধনা মাধবপুরে জমি বিক্রির চেষ্টায় জালিয়াতির অভিযোগ, ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতাপক্ষ তরুণ প্রজন্মের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করা সম্ভব- চিফ হুইপ ​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় মামলা পঞ্চগড়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু মানসিক ভারসাম্যহীন মিজানুর রহমানের মৃত্যুর বিচার কোথায়?

পরিবারে কারও হার্টের সমস্যা ছিল? আপনি কী যথেষ্ট সতর্ক আছেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ২১, ২০২৫,
  • 162 Time View

পরিবারের কারও হার্টের সমস্যা থাকলে সেটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে “ফ্যামিলিয়াল হিস্টরি” বা “পারিবারিক ইতিহাস” বলা হয়। এটি হৃদরোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর। অর্থাৎ, যদি আপনার বাবা-মা, ভাইবোন, দাদা-দাদি বা নানা-নানির মধ্যে কারও হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের ব্লকেজ বা স্ট্রোক হয়ে থাকে, তবে আপনারও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা গড়ে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ কিছু জিনগত (জেনেটিক) বৈশিষ্ট্য বাবা-মা থেকে সন্তানের শরীরে চলে আসে, যেগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে শুধুই জিন দায়ী নয়। পরিবারে এক ধরনের জীবনধারা বা খাদ্যাভ্যাসও থাকতে পারে যা একাধিক প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং হার্টের রোগে ভূমিকা রাখছে। যেমন—অতিরিক্ত তেল-মসলা খাওয়া, ব্যায়ামের অভাব, ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ ইত্যাদি। এগুলো যদি পরিবারে স্বাভাবিক অভ্যাস হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে সেটা সন্তানদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জিনগত এবং পরিবেশগত—দুই দিক থেকেই ঝুঁকি তৈরি হয়।

এই অবস্থায় করণীয় হলো, নিজের শারীরিক অবস্থার প্রতি সচেতন থাকা এবং নিয়মিত চেকআপ করা। যারা জানেন যে তাদের পরিবারে হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের উচিত অন্তত ২৫ বা ৩০ বছর বয়সের পর থেকেই রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার, ইসিজি ইত্যাদি টেস্ট করানো। কারণ অনেক সময় হার্টের সমস্যার কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না, অথচ শরীরের ভেতরে তা ধীরে ধীরে তৈরি হতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com