1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি  - dailyainerkantho
২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| বিকাল ৩:০৮|
শিরোনামঃ
​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় মামলা পঞ্চগড়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু মানসিক ভারসাম্যহীন মিজানুর রহমানের মৃত্যুর বিচার কোথায়? পিছনে নয়, ঠাকুরগাঁওকে আধুনিক মডেলে রূপান্তর করতে চাই’: নির্বাচনী জনসভায় মির্জা ফয়সাল আমীন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5

হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুন ৩০, ২০২৫,
  • 176 Time View

গত শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যাসন্তান জন্ম দেন ইশা। আর রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় নিপুণ ক্লিনিকেই অনুষ্ঠিত হয় তাঁর বাংলা দ্বিতীয় পত্রের লিখিত পরীক্ষা। মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ আছেন।

ইশার বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাশার গ্রামে। বাবা মো. শাহ আলম সিকদারের একমাত্র মেয়ে ইশা গত বছর (২৮ জুন) বিয়ে করেন কাশাভোগ এলাকার মাহবুবুর রহমান তুষারকে, যিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সন্তানসম্ভবা অবস্থাতেও ইশা নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেয়ার পর শুক্রবার রাতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাঁকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও পরীক্ষা দিতে চান ইশা। বিষয়টি কলেজের শিক্ষক মো. মাসুম মিয়াকে জানানো হলে তিনি অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ওয়াজেদ কামালের অনুমতিক্রমে রবিবার সকালে ক্লিনিকে উপস্থিত হয়ে এক নারী শিক্ষক ও এক নারী পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

প্রফেসর ওয়াজেদ কামাল বলেন,
মেয়েটির এমন সাহসিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। হাতের লেখা ছিল অসাধারণ সুন্দর। সে খুব মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। এই মেয়েরাই আমাদের গর্ব।

ইশার মা সুহাদা বেগম বলেন,
মেয়ের এমন সাহসিকতা ও অধ্যবসায় দেখে আমি অভিভূত। এত বড় ধকলের পরও সে পরীক্ষায় বসেছে—এটা ভাবতেই পারিনি। সবার কাছে দোয়া চাই আমার মেয়ে ও নাতনির জন্য।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com