1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে। - dailyainerkantho
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| সকাল ১১:০৩|
শিরোনামঃ
গ্রীন ভয়েস-এর ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: নদী ও জলাশয় রক্ষায় গ্রীন ভয়েস-এর ৫ দফা দাবিসমূহ ‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়

২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫,
  • 83 Time View

 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজার যুদ্ধের পর এই প্রথমবারের মতো গাজা অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। বিস্তীর্ণ ধ্বংসস্তূপ আর আতঙ্কের মধ্যেও এই শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে।

শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই পরীক্ষা এবার পুরোপুরি অনলাইনে নেয়া হচ্ছে, যা এই অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের ঘটনা। যেহেতু অধিকাংশ বিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে, তাই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে নিজ বাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র অথবা কোনো ক্যাফেতে, যেখানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।

চরম চ্যালেঞ্জের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সংকল্প অটুট। অনেকের নেই মোবাইল বা কম্পিউটার, নেই পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক। ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কার মধ্যে আল-জাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজজুম বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রেও গাজার শিক্ষার্থীরা অনলাইনে লগ-ইন করছে, পরীক্ষা দিচ্ছে; এটাই বড় আশার বার্তা।

অনলাইনে পরীক্ষায় যেন প্রযুক্তিগত সমস্যা না হয়, তার জন্য আগেই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেক শিক্ষক নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল আবার খুলেছেন, যেন শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহায়তা পায়।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার ৯৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৬.৬ লাখ শিশু স্কুলবিচ্ছিন্ন। বহু বিদ্যালয় এখন আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত, আবার কিছু ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তু। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ এই অবস্থাকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ বলেও আখ্যা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho