1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে। - dailyainerkantho
২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| রাত ১২:২১|
শিরোনামঃ
​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় মামলা পঞ্চগড়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু মানসিক ভারসাম্যহীন মিজানুর রহমানের মৃত্যুর বিচার কোথায়? পিছনে নয়, ঠাকুরগাঁওকে আধুনিক মডেলে রূপান্তর করতে চাই’: নির্বাচনী জনসভায় মির্জা ফয়সাল আমীন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5

২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম গাজার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পরিক্ষা অংশ নিবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫,
  • 145 Time View

 

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজার যুদ্ধের পর এই প্রথমবারের মতো গাজা অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। বিস্তীর্ণ ধ্বংসস্তূপ আর আতঙ্কের মধ্যেও এই শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে।

শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই পরীক্ষা এবার পুরোপুরি অনলাইনে নেয়া হচ্ছে, যা এই অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের ঘটনা। যেহেতু অধিকাংশ বিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে, তাই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে নিজ বাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র অথবা কোনো ক্যাফেতে, যেখানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।

চরম চ্যালেঞ্জের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সংকল্প অটুট। অনেকের নেই মোবাইল বা কম্পিউটার, নেই পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক। ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কার মধ্যে আল-জাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজজুম বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রেও গাজার শিক্ষার্থীরা অনলাইনে লগ-ইন করছে, পরীক্ষা দিচ্ছে; এটাই বড় আশার বার্তা।

অনলাইনে পরীক্ষায় যেন প্রযুক্তিগত সমস্যা না হয়, তার জন্য আগেই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেক শিক্ষক নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল আবার খুলেছেন, যেন শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহায়তা পায়।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার ৯৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৬.৬ লাখ শিশু স্কুলবিচ্ছিন্ন। বহু বিদ্যালয় এখন আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত, আবার কিছু ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তু। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ এই অবস্থাকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ বলেও আখ্যা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com