
জানাজার আগে আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে মাহমুদুর রহমান বলেন, আমার মা একজন ন্যায়নিষ্ঠ মানুষ ছিলেন। তিনি আমাকে অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছেন। তিনি অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। আমার জানামতে,তিনি কাউকে কষ্ট দেননি।
তিনি আরও বলেন, আমার মা অনেক ছাত্রকে পড়িয়েছেন। এই জানাজায় ছাত্ররা এসেছেন। শিক্ষকতাকালীন মা যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা করে দেবেন।
জানাজায় অংশগ্রহণ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান বাবর, সাবেক এমপি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, আশরাফ উদ্দীন নিজান, বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন অসীম, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আবদুল্লাহ, ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেন, হেফাজতে ইসলামের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, ভারপ্রাপ্ত অর্থ সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আমান আল আজমী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মনির হোসেন, অধ্যাপক ডা. এহতেশামুল হক, ডা. কামাল উদ্দীন ও ডা. রাজন মণ্ডলসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।