
রাজধানীতে এবি যুবপার্টির ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন—
👉 “তরুণদের রাজনীতির মূলধারায় আনতেই এবি যুবপার্টি কাজ করে যাচ্ছে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পথে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তরুণদের মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্বে গড়ে তোলার প্রয়োজনে জোর দেন।
🔸 অনুষ্ঠানের প্রাণ ছিলেন সঞ্চালক হাজিউজ্জামান খোকন—এবি যুব পার্টির সম্মানিত সদস্য সচিব।
তার প্রাণবন্ত সঞ্চালনা ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় পুরো অনুষ্ঠান ছিল সুশৃঙ্খল, গতিময় এবং প্রেরণাদায়ক।
আমি ছিলাম প্রোগ্রামে একজন আমন্ত্রিত অতিথি, আর এই সম্মানজনক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন খোকন ভাই নিজেই।
➡️ প্রোগ্রামে উপস্থিত হয়ে আমি তার আন্তরিক ব্যবহার, সৌজন্যতা এবং ভালোবাসাপূর্ণ আচরণে মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ।
➡️ তিনি শুধু একজন দক্ষ সংগঠকই নন, একজন বড় ভাইয়ের মতো আপন মানুষ—যিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে আদর করেছেন, মাথায় হাত রেখেছেন, এবং আমি একটা দাবি নিয়ে গিয়েছিলাম সেই দাবিটাও ভাই পূরণ করবেন বলে আমাকে কথা দিয়েছেন। অনেকেই ছোট অথবা বড় দায়িত্ব পেলেই পূর্বের কিছু মানুষের উপকার এর কথা ভুলে যায়। কিন্তু ভাই সম্পূর্ণ একজন আলাদা বিজ্ঞ মানুষ উনি একটুও বদলান নাই এই ব্যবহারটা দেখে আমি আরো অনেক বেশি কৃতজ্ঞ তার কাছে।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে,
🟩 হাদিউজ্জামান খোকনের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়, এবং তিনিই হচ্ছেন ঝিনাইদহ জেলার গর্ব।
তার চিন্তাভাবনা, রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি এবং সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠা সত্যিই অনেককে অনুপ্রাণিত করে।
🔰 তিনি প্রমাণ করেছেন—একজন মানুষ যখন সততা, আদর্শ আর আন্তরিকতাকে জীবনের ভিত্তি করে নেয়, তখন তিনি নিজ জেলার সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়েও সম্মানিত হন।
➡️ এবি যুবপার্টির মতো একটি আদর্শিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে তিনি যে ভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাতে আগামীর তরুণ রাজনীতিকদের কাছে তিনি হবেন একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
এই সফল আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।
হাদিউজ্জামান খোকন ভাইয়ের মতো মানুষের সাহচর্যে থেকে যে ভালোবাসা ও শিক্ষা পেয়েছি, তা সত্যি আমার জীবনের এক অনন্য প্রাপ্তি।