1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গ্রেপ্তার। - dailyainerkantho
২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শনিবার| রাত ৩:৪৭|
শিরোনামঃ
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5 হরিণাকুণ্ডুতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরন। ​ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের গণসংযোগ: প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করল দুই শিশু হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ২৯ অক্টোবর ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা এনআরসির “নিপীড়িত মানুষের পক্ষে লড়তে আইন পেশায় ফিরব” – ড. নয়ন বাঙালি

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৪, ২০২৫,
  • 180 Time View

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গ্রেপ্তার।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে (অব.) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে ডিবি পুলিশ তাকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আটটার কিছুসময় পরে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে তাঁর ধানমন্ডির বাসা থেকে আমরা আটক করেছি। তাকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হবে। এরপর তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেশের ১৯-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে এবিএম খায়রুল হক শপথ নেন ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। পরের বছর (২০১১ সাল) ১৭ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

এদিকে সম্প্রতি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। ‘দেশের বিচার বিভাগ ও গণতন্ত্র ধ্বংসের মূল কারিগর’ উল্লেখ করে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানায় সংগঠনটি।

বিচারাঙ্গনে তুমুলভাবে আলোচিত-সমালোচিত এ বিচারপতির বেশ কয়েকটি রায় চরম বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। তিনি নিজে আওয়ামী আমলে নানাভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাকে প্রধান বিচারপতি করা হয়েছিল কয়েকজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে ডিঙিয়ে।

প্রধান বিচারপতি থাকাকালে ত্রাণ তহবিলের টাকায় নিজের চিকিৎসা করে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। অবসর নেওয়ার কয়েকদিন আগে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন। এতে দেশে রাজনৈতিক সংঘাতের পথ উন্মুক্ত হয়।

পাশাপাশি শেখ হাসিনার ভোট ডাকাতির চূড়ান্ত সুযোগ তৈরি হয়।

রাজনৈতিক একটি বিষয়কে আদালতের আওতাধীন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন বলে রায় দিয়েছিলেন এবিএম খায়রুল হক। এছাড়া বিতর্কিত একাধিক বিচারপতিকে শপথ পড়ানো, আগাম জামিনের এখতিয়ার কেড়ে নেওয়া, খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর গত ১৮ আগস্ট ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ইমরুল হাসান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় খায়রুল হকের বিরুদ্ধে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পরিবর্তন ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে খায়রুল হক ছিলেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটলে ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছিল না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com