1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
আজকের হাইকোর্টের রায় উল্টানোর নায়ক এডভোকেট শিশির মনির-হাসনাত আব্দুল্লাহ - dailyainerkantho
২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| রাত ১:২৫|
শিরোনামঃ
গ্রীন ভয়েস-এর ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: নদী ও জলাশয় রক্ষায় গ্রীন ভয়েস-এর ৫ দফা দাবিসমূহ ‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়

আজকের হাইকোর্টের রায় উল্টানোর নায়ক এডভোকেট শিশির মনির-হাসনাত আব্দুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫,
  • 105 Time View

আজকের হাইকোর্টের রায় উল্টানোর নায়ক এডভোকেট শিশির মনির।

বিকেলের ঘটনাটা একদম টার্নিং পয়েন্ট।
হাইকোর্ট ডাকসু স্থগিত করলেই যদি ওইদিন আপিল না হতো—
২ দিনের মধ্যে সিরিয়াল পেতো না,
তারপর কোর্ট টানা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ!
অথচ ডাকসুর ডেট আর মাত্র ৮ দিন পর।
মানে—গেম ওভার!

কিন্তু সেই ক্রুশিয়াল মোমেন্টে শিশির মনির হাতে লিখে, দৌড়ে গিয়ে চেম্বার জজ কোর্টে পিটিশন দিলেন।
শেষ মুহূর্তে যুক্তি দেখিয়ে স্থগিতাদেশকে উল্টে দিলেন।

ফলাফল?
ডাকসু নির্বাচন বেঁচে গেল ষড়যন্ত্রের হাত থেকে।
Thanks to শিশির মনির— তাঁর তড়িৎ সিদ্ধান্ত আর বুদ্ধিমত্তার জন্যই ডাকসু থেমে যায়নি।

এবার আসি কবির কথায়…

শোন হে কবি মি/থ্যান্দ্র/নাথ!!
তোমার জন্মের আগেই শিশির মনির ঢাবির ছাত্র ছিলো, এখন তিনি ঢাবির অ্যালামনাই।
বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাঁকে আইনজীবী করবে— তাতে তোমার মাথাব্যথা কেন?

আসলেই শিশির মনির সেই কাজটাই করেছেন যেটার জন্য তোমরা মিছিল করছো।
শিশির মনিরের উপর খেপলে বাম খেপতে পারে, কিন্তু তোমরা খেপছো কেন ভাই?
মানে ঘাপলাটা অন্য জায়গায়!

প্রশ্ন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীকে—
তুমি যদি ডাকসু নির্বাচন সময়মতো হোক— এই চাওয়ার পক্ষে থাকো, তাহলে তো খুশি হওয়ার কথা।
কিন্তু তুমি উল্টো চিল্লাচ্ছো কেন?
এটা কি স্ববিরোধিতা, নাকি সরাসরি বলি—নিরাবুদ্ধিতা?

মনে রেখো—
যে আইনজীবী দ্রুত সিদ্ধান্তে চেম্বার কোর্ট থেকে স্থগিতাদেশ উল্টে দিয়ে ডাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করলেন,
তাঁর বিরুদ্ধে দাঁত কেলানো মানেই নিজের অর্বাচীনতা প্রমাণ করা। আরে ভাই, নির্বাচনের পক্ষে থাকলে “আইনজীবী কে”— তা কোনো বিষয় না।
কাজটাই আসল।

মনে পড়ছে তো?
আপনাদের নেতা তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অনেকেই জনাব এডভোকেট শিশির মনিরের ক্লায়েন্ট ছিলেন। তখন তো কোনো সমস্যা ছিল না। এখন হঠাৎ এতো জ্বালা কেন?

সত্যিটা হলো—
বিনা কারণে চিল্লাচিল্লি করলে নিজের মার্কেটই নষ্ট হয়।
“কবি আবীন্দ্রনাথ” আসলে ভেতরে ভেতরে জ্বলে পুড়ছেন, কারণ তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে।
স্থগিতাদেশ উঠতেই কবির মুখের হাসি গায়েব।
লোডশেডিং-এর মতোই নিখোঁজ!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho