1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পাইলটের শেষ বার্তা ছিলো, বিমান ভাসছে না, মনে হচ্ছে নিচে পড়ে যাচ্ছে। - dailyainerkantho
২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শনিবার| সকাল ১০:০১|
শিরোনামঃ
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5 হরিণাকুণ্ডুতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরন। ​ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের গণসংযোগ: প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করল দুই শিশু হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ২৯ অক্টোবর ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা এনআরসির “নিপীড়িত মানুষের পক্ষে লড়তে আইন পেশায় ফিরব” – ড. নয়ন বাঙালি

পাইলটের শেষ বার্তা ছিলো, বিমান ভাসছে না, মনে হচ্ছে নিচে পড়ে যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ২৩, ২০২৫,
  • 154 Time View

পাইলটের শেষ বার্তা: বিমান ভাসছে না, মনে হচ্ছে নিচে পড়ছে।

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তেও কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন যুদ্ধবিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। কন্ট্রোল রুমকে তিনি বলেছিলেন, ‘বিমান ভাসছে না…মনে হচ্ছে নিচে পড়ছে।’

রাজধানীর কুর্মিটোলা পুরাতন বিমানঘাঁটি থেকে গত সোমবার বেলা সোয়া ১টার দিকে এফ-৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে একক উড্ডয়ন (সলো ফ্লাইট) করেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম। এটি ছিল তাঁর প্রথম সলো ফ্লাইট, যা বৈমানিক প্রশিক্ষণের সর্বশেষ ও সবচেয়ে জটিল ধাপ। এ পর্যায়ে পাইলটকে কোনো সহকারী, নেভিগেটর বা প্রশিক্ষক ছাড়াই একা বিমান পরিচালনা করতে হয়।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি উত্তরা, দিয়াবাড়ি, বাড্ডা, হাতিরঝিল ও রামপুরার আকাশসীমায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে হঠাৎই বিমানটির আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তখন পাইলট কন্ট্রোল রুমে জানান, ‘বিমান ভাসছে না…মনে হচ্ছে নিচে পড়ছে।’

তাৎক্ষণিকভাবে কন্ট্রোল রুম থেকে ইজেক্ট (বিমান থেকে বের হয়ে যাওয়া) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিমানটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যান। সর্বোচ্চ গতিতে তিনি বিমানটি বেসে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। এর মধ্যেই কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাত্র এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুল ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে।

জানা গেছে, ট্রেনিংয়ের এই সর্বশেষ ধাপে একজন বৈমানিককে সলো বা এককভাবে বিমান চালাতে হয়, যা তাঁর স্কিল ও প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পরীক্ষা। যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য একজন পাইলটের যে উচ্চ দক্ষতা দরকার, সেটিই প্রমাণিত হয় সলো ফ্লাইটের মাধ্যমে। ট্রেনিংয়ের এ পর্যায়ে পাইলটকে নেভিগেটর বা কো-পাইলট বা কোনো ধরনের ইন্সট্রাক্টর ব্যতীত একাই ফ্লাইট অপারেট করতে হয়। নিহত বিমানচালক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগরের প্রথম সলো ফ্লাইটে ছিলেন এদিন।

বিমানবাহিনীর সাবেক একাধিক কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ফ্লাইট জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরেই হয়ে থাকে। তবে সলো ফ্লাইট সাধারণত নগরাঞ্চলেই হয়ে থাকে। এ ধরনের ফ্লাইটের জন্য পাইলটকে যথেষ্ট দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির তেমনই একজন পাইলট ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com