1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পিডিবিতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিক্ষোভ, পদোন্নতি ও চাকরি প্রবিধান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন - dailyainerkantho
১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| রাত ১১:০৪|
শিরোনামঃ
খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা  সান্তাহার বাফার গুদামে ময়লা-আবর্জনাসহ সার রিব্যাগিং, সরবরাহে ওজনেও কম!! পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ইবি রেজিস্টারকে শুভেচ্ছা জিরার ট্রাক আটকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ আটক ২ ‘শিক্ষার্থী নিয়ে উধাও’ হওয়ার খবর কাল্পনিক, সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্ত: আইএইচটি শিক্ষক অসীম কুমার ধরা ও ওয়াটারকিপার্স এর নেতৃত্বে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের উদ্বোধন তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে দ্রুত বিধি প্রণয়নের দাবি: তাবিনাজ (তামাক বিরোধী নারী জোট) ধর্মপাশায় ফজলুল হক সেলবর্ষী স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টে – এমপি কামরুল ইবিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত তেঁতুলিয়ায়  প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি সোহরাব আলী, সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন

পিডিবিতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিক্ষোভ, পদোন্নতি ও চাকরি প্রবিধান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

মো সাইফুল আলম সরকার
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬,
  • 105 Time View

 

পিডিবিতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিক্ষোভ, পদোন্নতি ও চাকরি প্রবিধান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (পিডিবি) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি এবং প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ চাকরি প্রবিধানমালা নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ করেছেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। এ বিষয়ে ন্যায়সংগত ও বৈষম্যহীন চাকরি প্রবিধানমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তারা। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির (ডিপ্রকৌস) অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির (ডিপ্রকৌস) যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এখলাস উদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচীব মোঃ মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. জমীর উদ্দিন, সদস্য (অর্থ) মো: আবু সালে, মোঃ রাসেল সরকার সহ আরো অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা পূর্ণাঙ্গ চাকরি প্রবিধানমালা প্রণয়নের বিরোধী নই। তবে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা-২০২৬, নিয়োগ ও পদোন্নতি তফসিল-২০২৬ এবং প্রস্তাবিত জনবল কাঠামোয় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ চাকরি প্রবিধানমালা প্রণয়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পূর্ণাঙ্গ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা পূর্ণাঙ্গ চাকরি প্রবিধানমালার বিরোধী নই, আমরা একটি বৈষম্যহীন, আইনসম্মত, ন্যায়সংগত ও টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকরি প্রবিধানমালা চাই। দাবিগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা না করা হলে পর্যায়ক্রমে শান্তিপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনি প্রতিকারের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

ডিপ্রকৌস সদস্য সচিব বলেন, সংগঠনের উত্থাপিত নীতিগত, আইনগত ও প্রশাসনিক বিষয়গুলোর সন্তোষজনক নিষ্পত্তি ছাড়াই জনবল নিয়োগ ও পদোন্নতি তফসিলসহ প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি সহকারী প্রকৌশলী (এএই) ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) পদের মোট সংখ্যার বিপরীতে উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ পদোন্নতির নীতি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের এনাম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পদকে পুনরায় সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করে অভিন্ন জ্যেষ্ঠতা তালিকা চালু করতে হবে। পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এসডিই পদকে পৃথক পদোন্নতিযোগ্য ধাপ হিসেবে বিবেচনার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

বক্তারা সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন তাদের তিনটি নীতিগত সুপারিশ পুনরায় তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে-

দাবি-০১। সহকারী প্রকৌশলী (AE) এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE) পদের মোট সংখ্যার বিপরীতে এক-তৃতীয়াংশ (৩৩.৩৩%) পদোন্নতির নীতি পুনর্বহাল।
উক্ত দাবির পক্ষে নীতিগত সুপারিশ-
ক) ১৯৯৬ সালের শুধুমাত্র বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE)-কে পৃথক পদোন্নতিযোগ্য ধাপ হিসেবে বিবেচনার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হোক।
খ) ১৯৮৪ সালের এনাম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সহকারী প্রকৌশলী (AE) ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE)-কে পুনরায় সমতুল্য (Equivalent) পদ হিসেবে বিবেচনা করে অভিন্ন জ্যেষ্ঠতা তালিকা (Common Seniority List) পুনর্বহাল করা হোক।
গ) ১৯৯৬ সালের পূর্বের ন্যায় AE ও SDE-এর মোট পদের বিপরীতে উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ (৩৩.৩৩%) পদোন্নতির ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হোক।
ঘ) প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালা-২০২৬-এর নিয়োগ ও পদোন্নতি তফসিলে (Schedule) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE)- কে পৃথক পদোন্নতিযোগ্য ধাপ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে বাংলাদেশ গেজেট,অতিরিক্ত, ১৭ই জানুয়ারি,২০১৭ অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতিপত্র এবং অর্থ বিভাগ কর্তৃক পৃষ্ঠাংকিত জি.ও এর কপি প্রেরণ করতে হবে; অন্যথায় বিষয়টি তফসিল থেকে অপসারণপূর্বক ১৯৮২ সালের সার্ভিস রুল এবং ১৯৮৪ সালের এনাম কমিটির সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন করা হোক।

০২। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে একটি বৈষম্যহীন, আইনসম্মত, ন্যায়সংগত ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালা প্রণয়ন।
উক্ত দাবির পক্ষে নীতিগত সুপারিশ-
ক) প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলস – ২০২৬ পুনর্বিবেচনা করে সার্ভিস রুল—১৯৮২-এর ক্লজ-২৪ পুনর্বহাল করা হোক।
খ) নিয়োগ ও পদোন্নতি তফসিল–২০২৬ আইনগত ভিত্তি যাচাইপূর্বক পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হোক।
গ) ফিরোজ কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো পুনর্বিবেচনা করে সকল প্রয়োজনীয় দপ্তরে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদ সংরক্ষণ এবং Engineering Pyramid পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক।
ঘ) পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার পূর্বে সকল অংশীজনের, বিশেষ করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় ও পরামর্শের ভিত্তিতে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হোক।
ঙ) বিদ্যুৎ বিভাগের স্মারক নং-২৭,০০,০০00,042,22,001,17-১৭৫; তারিখঃ ৩০ নভেম্বর ২০১৫ মোতাবেক বিউবো’র নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হোক।
০৩। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, চূড়ান্ত অনুমোদনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট আইন, সরকারি আদেশ, প্রশাসনিক নজির এবং সংগঠনের উপস্থাপিত নীতিগত বিষয়সমূহ পুনর্বিবেচনা করে একটি বৈষম্যহীন, আইনসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পূর্ণাঙ্গ চাকুরী প্রবিধানমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com