
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির সভাপতি এম এ আলীম সরকার এক বিবৃতিতে বলেন, আজ ১৭ নভেম্বর, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে এই মহান নেতাকে স্মরণ করছে।
মওলানা ভাসানী (১৮৮০- ১৯৭৬) ছিলেন উপমহাদেশের শোষিত-নিপীড়িত মানুষের আশার প্রতীক, মুক্তির সংগ্রামের অদম্য সাহসী পথিকৃত। কৃষক-শ্রমিকের অধিকার, সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপর সেন অগ্রগামী। ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার প্রশ্নে দূরদর্শী নেতৃত্ব বাঙালি জাতির ইতিহাসকে নতুন পথে পরিচালিত করে। তাঁর আপোষহীন অবস্থান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শ্রমিক-কৃষক-নিম্নবিত্ত মানুষের ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর আজীবন সংগ্রাম আমাদের রাজনীতির দিশা ও অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জনগণের শক্তির ওপর তাঁর অগাধ বিশ্বাস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে উজ্জ্বল এক অধ্যায়। মওলানা ভাসানীর মানবিকতা, বিচক্ষণ নেতৃত্ব এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক অবস্থান আজকের প্রজন্মকে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের পথে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়।
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি বিশ্বাস করে—
মওলানা ভাসানীর আদর্শ শুধু অতীতের স্মৃতি নয়; এটি সাম্যের সমাজ, গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানুষের মুক্তির পথে এক অবিনশ্বর আলোকশিখা।
মহান এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করি যে, মওলানা ভাসানীর স্বপ্ন–মানুষের মুক্তির পথ রচনায় আমরা অবিচল থাকব।
মওলানা ভাসানী চির অম্লান হোন।