
রাষ্ট্র এবং সরকারের কাজ হওয়া উচিত দায়িত্বশীল পর্যায়ের। অযথা বা অর্থহীন কোনো কাজে রাষ্ট্রীয় সময় ও অর্থ ব্যয় করা অপরাধতুল্য। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে সংস্কারের বিষয়টি জাতির সন্মুখে নিয়ে আসে। জাতিও এর পক্ষে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
রাজনৈতিক দলগুলিও সরকারের আহ্বানে সাড়া দেয়।
দীর্ঘ আলোচনা ও বৈঠকে কিছু মতদ্বৈধতাসহ একটা সংস্কারলিপি তৈরি হয়। সংস্কার কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত বিষয়ের পক্ষে বিপক্ষে মতামত দেয়ার সুযোগ রাখা হয়। যে সকল বিষয়ে কোনো দল একমত না হবে সেখানে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ এর কলাম রাখা হয়।
এভাবেই লিপিটি তৈরি হয় এবং রাজনৈতিক দলসমূহের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। কিন্তু স্বাক্ষরের পরে যে কপিটি সরকারের অনুমোদনের জন্য সংস্কার কমিশন তৈরি করে তাতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাখা হয়নি। এর অর্থ হলো সংস্কার কমিশন শুরুতেই যা চেয়েছিল তা-ই বলবৎ হয়েছে। তাহলে এই দীর্ঘ সময়ের কাজটিকে সরকারের সাজানো একটা নাটক ব্যতীত আর কী বলা যেতে পারে।