1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
সেভেন সিস্টার্সকে সংযোগকারী ভারত-মিয়ানমারের কালাদান প্রকল্প চালু হবে ২০২৭ সালে - dailyainerkantho
২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| রাত ৪:৪৬|
শিরোনামঃ
​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় মামলা পঞ্চগড়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু মানসিক ভারসাম্যহীন মিজানুর রহমানের মৃত্যুর বিচার কোথায়? পিছনে নয়, ঠাকুরগাঁওকে আধুনিক মডেলে রূপান্তর করতে চাই’: নির্বাচনী জনসভায় মির্জা ফয়সাল আমীন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5

সেভেন সিস্টার্সকে সংযোগকারী ভারত-মিয়ানমারের কালাদান প্রকল্প চালু হবে ২০২৭ সালে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ৯, ২০২৫,
  • 139 Time View
 উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে নেওয়া কৌশলগত ‘কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প’ ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে চালু হয়ে যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। খবর ইকোনমিক টাইমসের।

গতকাল সোমবার আসামের গোয়াহাটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সোনোয়াল জানান, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে জলপথ ও সমুদ্র পথে সংযুক্ত করতে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে একাধিক উদ্যোগ নিচ্ছে। এই খাতে কাজের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সোনোয়াল বলেন, ‘কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প ভারতের “ইন্ডিয়া-মিয়ানমার ফ্রেন্ডশিপ ট্রিটির” ফসল। এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো হবে। এই প্রকল্প ২০২৭ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে।’

সোনোয়াল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে উত্তর-পূর্ব ভারত এখন ভারত নির্মাণ পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মোদির রূপান্তরমূলক অ্যাক্ট ইস্ট নীতির ফলে একসময় অবরুদ্ধ এই অঞ্চল এখন আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে সরাসরি ও সংক্ষিপ্ত প্রবেশাধিকার পেতে চলেছে। মিয়ানমারে সিতওয়ে বন্দর দ্রুত নির্মিত হয়েছে, যা এই অঙ্গীকারের বড় প্রমাণ। পুরোপুরি চালু হলে এই অঞ্চল শুধু উত্তর-পূর্ব ভারত নয়, বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল ও মিয়ানমারকেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে নতুন বাণিজ্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।’

মিয়ানমারের সিতওয়ে বন্দর অভ্যন্তরীণ জলপথের মাধ্যমে পালেতওয়ার সঙ্গে যুক্ত এবং সেখান থেকে জোরিনপুই পর্যন্ত একটি সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া, সিতওয়ে থেকে ত্রিপুরার সাবরুম পর্যন্তও যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। আবার বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে সাবরুম পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো আছে।

ভারতের মূল ভূখণ্ডের কলকাতা থেকে নৌপথে পণ্যে সিতওয়ে বা টেকনাফে এনে সেখান থেকে তা টেকনাফ হয়ে ত্রিপুরায় এবং পালেতওয়া হয়ে মিজোরামে পাঠানো সম্ভব। সিতওয়ে বন্দর ও কালাদান প্রকল্পের ফলে ত্রিপুরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে, কারণ এতে পরিবহন সময় ও খরচ কমে যাবে। সিতওয়ে বন্দরে রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে—চাল, কাঠ, মাছ ও সামুদ্রিক খাদ্য, পেট্রোলিয়াম পণ্য, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল। আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে—সিমেন্ট, লোহা ও ইটসহ নির্মাণসামগ্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com